• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনই একই সূত্রে গাঁ

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদফতর’ গঠনের পর এবার বিগত ১৭ বছরে গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে আলাদা শাখা বা বিভাগ খোলার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের উদ্যোগে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং গুম ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত পরিবারের সদস্যদের হাতে ঈদ উপহার তুলে দেন এবং সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনই একই সূত্রে গাঁথা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই রাজপথে নেমেছিলেন। তাদের এই আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেয়া হবে না।

দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় গুম হওয়া পরিবারগুলোর কষ্ট অনুধাবন করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদের পরপরই আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব রাখব যেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনই গুম হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও সহায়তায় বিশেষ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। এই পরিবারগুলোর সন্তানদের উচ্চশিক্ষা এবং যাদের নিজস্ব বাসস্থান নেই, তাদের জন্য আবাসন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। আমরা চাই তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হোক।

গণহত্যার বিচারের অঙ্গীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩-১৪ সাল থেকে অনেক শিশুকে দেখছি যারা তাদের বাবার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আজ বড় হয়ে গিয়েছে। তাদের চোখের পানি শুকিয়ে গিয়েছে। আবার জুলাই অভ্যুত্থানে বাবার সামনে সন্তানের বুক ঝাঁজরা করে দেয়া হয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি, এই প্রতিটি গুম-খুন ও গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেকের বিচার বাংলাদেশের মাটিতে নিশ্চিত করা হবে। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক পরিচয় ছাপিয়ে একজন নাগরিক হিসেবেও আমি আপনাদের পাশে আছি। গুম ও জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারগুলো যাতে আর অবহেলার শিকার না হয়, সে জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাব।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category