• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ

তিন কারণে ‘অপরাধী’ বর্তমান রাষ্ট্রপতি: জামায়াত আমির

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন

[ad_1]

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি তিন কারণে ‘অপরাধী’। প্রথম কারণ হচ্ছে, তিনি সমস্ত খুনের সহযোগী ছিলেন। তার আমলে যে খুনগুলো হয়েছে, একটা খুনের বিরুদ্ধেও তিনি শাসকগোষ্ঠীর প্রতিবাদ করেননি। তিনি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রের অভিভাবক। অভিভাবক হিসেবে তিনি জঘন্য অপরাধ করেছেন রাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রতি।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সংসদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণের সময় ‘ওয়াকআউটের’ পর সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, আপনারা জানেন আগস্ট মাসের পাঁচ তারিখ চব্বিশ সালে তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন যে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন। পরবর্তী পর্যায়ে আপনারা দেখেছেন, দুইটা মিডিয়ার সাথে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি তা অস্বীকার করেছেন। নতুন গল্প সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন। দেশের প্রেসিডেন্ট মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার পরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর আর কোনো নৈতিক অধিকার থাকে না।

তিনি আরও বলেন, তিন নম্বর অপরাধ তিনি (রাষ্ট্রপতি) করেছেন, তিনি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স সাইন করেছেন। এই জুলাই অভ্যুত্থানের পরে ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ নির্বাচন হবে, নির্বাচনের পরে যা&রা নির্বাচিত হবেন, তাঁরা দুইটা ক্যাপাসিটিতে নির্বাচিত হবেন। তাঁরা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন এবং তাঁরা একই সাথে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন। একই দিনে উভয় শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সেই শপথ দুটো আমরা নিলেও সরকারি দল নেয়নি। তাঁর প্রথম দায়িত্ব ছিল, গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের ভিতরে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা। তিনি সেই অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে হ্যাঁ–এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৭০ ভাগ মানুষ। তিনি ৭০ ভাগ জনগণকে, দেশবাসীকে অপমান করেছেন। এখানেও তিনি অপরাধ করেছেন।

এসব কারণে বিরোধী দল রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুনতে চায়নি উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর, খুনের সহযোগীরা যাতে সংসদে বক্তব্য রাখতে না পারে, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সেই অনুরোধ জানানো হয়েছে। আমরা সরকারি দলকেও অনুরোধ জানিয়েছিলাম, মাননীয় স্পিকার মহোদয়কেও অনুরোধ জানিয়েছিলাম, তাঁকে (রাষ্ট্রপতি) যেন ভাষণ দিতে দেওয়া না হয়। তাঁরা আমাদের কথা গ্রাহ্য করেননি, আমরা সংক্ষুব্ধ হয়ে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি। আগামীতে এই সংসদে কোনো অন্যায়কে আমরা বরদাশত করব না এবং মেনে নিব না। বিরোধী দল জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় লড়াই করে যাবে। জনগণের রায়ের প্রতি বিরোধী দলের সম্মান আছে। জনগণকে বিরোধী দলের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানান তিনি। তবে আজকের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করলেও সামনের অধিবেশনগুলোতে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন শফিকুর রহমান।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category