• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চাঁদপুরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় আসামির যাবজ্জীবন

Reporter Name / ৩৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যায় মো. জহির হোসেন (৪৫) নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এ রায় দেন।

হত্যার শিকার গৃহবধূর নাম কোহিনুর বেগম। তিনি একই বাড়ির প্রবাসী আরিফ হোসেনের স্ত্রী। দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফ হোসেন উপজেলার ভাটনীখোলা গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জহির হোসেনের স্ত্রী লাকি বেগম ঋণ করে তার স্বামীকে সৌদি আরব পাঠায়। জহির এক মাস থেকে দেশে চলে আসে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয় এবং লাকি বেগম তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে চলে যায়। কিছুদিন পর লাকি বেগমের সঙ্গে কোহিনুরের বড় ভাইয়ের বিয়ে হয়। এ বিয়ে নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল রাতে জহির ক্ষিপ্ত হয়ে কোহিনুর বেগমের ঘরে প্রবেশ করে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কোহিনুর বেগমের স্বামী প্রবাসে থাকায় তার ছোট ভাই মো. হাবিব উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ এপ্রিল শাহরাস্তি থানায় জহির হোসেনসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আউয়াল তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কোহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি দীর্ঘ পাঁচ বছরের অধিক সময় চলমান অবস্থায় ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তার উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category