• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড

ফতুল্লায় নিখোঁজের একদিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

[ad_1]

ফতুল্লার উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় নিখোঁজের একদিন পর মাদ্রসা ছাত্র ৭ বছরের শিশু সৈককের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নির্মমভাবে গলা কেটে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেয়া হয়।  এমন নৃসংশ হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

সোমবার বিকেলে তাদের ভাড়া বাসার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরআগে রবিবার দুপুর থেকে নিখোঁজ থাকে সে।
নিহত সৈকতের বাবা আঞ্জু মিয়া জানান, নিহত শিশু সৈকত রবিবার দুপুরের পর আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে দোকান থেকে চকলেট কেনার জন্য বাসা থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও সে আর বাড়িতে ফিরে না আসায় আমরা সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

পরবর্তীতে সোমবার দুপুরের পর স্থানীয় কয়েকজন বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, তাদের ছেলে সৈকতকে শিগগিরই মাদ্রাসায় ভর্তি করানোর প্রস্তুতি চলছিল। এমন নিষ্ঠুরভাবে তাকে হত্যা করা হবে, তা তারা কখনো কল্পনাও করতে পারেননি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমার ছেলেটা খুব শান্ত স্বভাবের ছিলো। কারো সাথে কোনো শত্রুতা ছিল না। যারা এই কাজ করেছে, তাদের বিচার চাই।

জানা গেছে, নিহতের বাবা রঞ্জু মিয়া উত্তর নরসিংহপুর এলাকার ইবলাম মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন এবং পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রি। নিহতের মা স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে কর্মরত। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার বড় গোবিন্দপুর গ্রামে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এর আগে এলাকায় এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একটি নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে হত্যা করায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানা-র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুতই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো এলাকাকে নাড়া দিয়ে গেছে। এখন সবার একটাই দাবি—শিশু সৈকতের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

 



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category