• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আদালতে স্ত্রীর জবানবন্দি,  মা-পুত্র-কন্যাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Reporter Name / ১১৪ Time View
Update : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকায় স্বামী জাহাঙ্গীর আলম জনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) নারায়ণগঞ্জের বিচারিক আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এদিকে নিহত জনির মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মুন্নির পাশাপাশি তার আগের সংসারের ছেলে সৈকত, মেয়ে হাফসা, মা আমেনা বেগম, ভাই লিংকন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুন ভোর রাতে জনি বাসায় ফেরার পর তাকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি অচেতন হয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। পরে তার হাত-পায়ের রগও কেটে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর বাসার স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান সামগ্রী সরিয়ে নিয়ে ডাকাতির নাটক সাজানোর চেষ্টা করা হয়। সকাল ৮টার দিকে মুন্নি প্রতিবেশীদের ডেকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয় এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু ও একটি চাপাতি উদ্ধার করে বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মুন্নির আগের স্বামী দেলপাড়ার বাসিন্দা মিঠু, যিনি তৈরি পোশাক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের সংসারে সৈকত ও হাফসা নামে দুই সন্তান রয়েছে। পরে মুন্নি জনির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে আগের সংসার ছেড়ে তার সঙ্গে বসবাস শুরু করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পরবর্তীতে জনি একটি হোটেলে চাকরি নেন। তাদের সংসারে বর্তমানে দেড় বছর বয়সী মুনতাসির নামে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী জাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, মুন্নির নামে থাকা জমিতে নির্মিত বাড়ির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা আগের সংসারের সন্তানদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য জনির ওপর দীর্ঘদিন ধরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এ বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত মামলার সব আসামি আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category