• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড চাঁদাবাজ-দখলবাজদের প্রশ্রয় নয়, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে মনোহরদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গ্লোবাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধার বর্ণিল উৎসব, বৃত্তি ও সংবর্ধনায় কৃতীদের সম্মাননা এল কে ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা, সভাপতিকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ

আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির

Reporter Name / ১৭১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন

[ad_1]

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে ‘চূড়ান্ত বিজয়’ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। শুক্রবার আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই লক্ষ্যের কথা জানান গোষ্ঠীর প্রধান মেজর জেনারেল তোয়াই ম্রা নাইং। তিনি বলেছেন, আমরা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাব। মিয়ানমারের নিপীড়ক সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে যৌথ লড়াই অব্যাহত রাখবে তার বাহিনী।

২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যের ১৪টি টাউনশিপ এবং দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতওয়া দখল করেছে আরাকান আর্মি। বর্তমানে রাখাইনের মাত্র তিনটি টাউনশিপ, রাজধানী সিত্তুয়ে, কিয়াকফিউ এবং মানাউং মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর রাখাইনে জান্তা-বিরোধী জোরালো অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। এর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে ‘অপারেশন ১০২৭’ শুরু করেছিল‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’। এই জোটেরই সদস্য এএ। সামরিক সাফল্যের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ইতিমধ্যে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে এএ। তবে জান্তা বাহিনীর অব্যাহত বিমান ও নৌ-হামলার কারণে রাজ্যে বেসামরিক নাগরিকদের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।

আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ এর অপর দুই সদস্য মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি এবং তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি। আরাকান আর্মির ১৭ বছরের অগ্রযাত্রায় আরও অভিনন্দন জানিয়েছে, মিয়ানমারের জান্তা-বিরোধী ছায়া সরকার-এনইউজি, ইউনিয়ন পার্লামেন্টের প্রতিনিধিত্বকারী কমিটি-সিআরপিএইচ এবং চিন ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স, বামার পিপলস লিবারেশন আর্মি ও স্টুডেন্ট আর্মড ফোর্সহ ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী। শুভেচ্ছা বার্তায় গোষ্ঠীগুলো জানায়, আরাকান আর্মি ও রাখাইনের জনগণের এই অর্জন মূলত তাদের অদম্য সংকল্প, আত্মত্যাগ এবং ঐক্যেরই ফল। এই সাফল্য মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর জন্য একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করে তারা।

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মিয়ানমার-চীন সীমান্তের লাইজায় মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল আরাকান আর্মি। ১৭ বছরের ব্যবধানে তারা এখন মিয়ানমারের অন্যতম শক্তিশালী বিদ্রোহী শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

—এজেড



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category