• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মনোহরদীতে এনটিআরসিএ মনোনীত শিক্ষকের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগ মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে

Reporter Name / ২৮০ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি : ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত তিন শিক্ষকের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে।

 

নরসিংদীর জেলার মনোহরদী দারুল ইসলাম দাখিল মাদরাসার সুপার মো. মাকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ যোগদান করতে আসা শিক্ষকদের। এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন তিন শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে না পারায় তারা এমপিওভুক্তির আবেদন করতে পারেননি।

 

জানা গেছে, মনোহরদী দারুল ইসলাম দাখিল মাদরাসায় দুইজন সহকারী মৌলভী এবং একজন ইবতেদায়ী জুনিয়র শিক্ষক সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তারা সকল কাগজপত্র নিয়ে মাদরাসায় যোগদান করতে আসেন। কিন্তু মাদরাসার সুপার মাকসুদুর রহমান সহকারী সুপার সাখাওয়াতের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা করে ৩৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদেরকে যোগদান করতে দেওয়া হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরে ওই শিক্ষকরা মাদ্রাসায় গিয়ে বসে থাকলেও টাকা হাতে না পেলে যোগদান করতে দিবে না বলে তাদেরকে জানানো হয়।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ যোগদানপত্র, নিয়োগপত্র এখনো দেয়নি। তাই যোগদান করতে পারিনি। সহকারী সুপার সাখাওয়াত হোসেন সুপারের কথা বলে আমাদের কাছে ১২ হাজার করে ৩৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।

 

তিনি আরো জানান, নিয়ম অনুযায়ী আমাদেরকে সরাসরি যোগ দেয়ার কথা।

 

যোগদান করতে না পারায় এমপিওভুক্তির আবেদনও করতে পারিনি। তারা নিয়োগপত্র-যোগদানপত্র কিছুই দেননি।

 

তারা আরও বলেন, পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, আমরা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ করতেও ভয় পাচ্ছি। কারণ জলে থেকে কখনো কুমিরের সঙ্গে লড়াই করা যায় না। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, টাকা ছাড়া যোগদান করতে পারবেন না। এখন আমরা নিরুপায়।

 

জানা যায়, এ প্রতিষ্ঠানে আগেও যারা এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশ পেয়ে যোগদান করেছেন তাদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন।

 

এ দিকে যোগদানে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সহ সুপার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এমপিও আবেদন করার জন্য হাতে সময় রয়েছে। টাকা চাওয়ার অভিযোগটি সত্য নয়।

 

মাদরাসার সুপার মাকসুদুর রহমান বলেন, তাদের কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। কোন টাকা চাওয়া হয়নি। তাদের যোগদান করানোর প্রক্রিয়া চলছে। নিয়োগপত্র ও যোগদানপত্র ইস্যু করার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন আছে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো। নতুন শিক্ষককে সরাসরি আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দিচ্ছি। সভাপতি ও সুপারকে তাদের যোগদান করাতে বলা হবে।

 

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, নতুন শিক্ষক নিয়োগে টাকা চাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তারা অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category