• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ফায়ার সার্ভিসের মহড়া মনোহরদীতে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দেশ

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রকল্প এলাকায় এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের অভিজাত ক্লাবে নাম লেখাল বাংলাদেশ।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক এলক্সি লিখাচভ। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই অর্জনে অভিনন্দন জানান।

মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই অর্জন জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি। এটি কেবল বিদ্যুৎই উৎপাদন করবে না, বরং দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও শিল্পায়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন করতে ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগবে। এরপর বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হবে। ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়িয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় (১২০০ মেগাওয়াট) পৌঁছাতে আরও ৮ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে।

পরিচালনা ও কারিগরি তথ্য

পরিচালনা: কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই ৫২ জন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ লাইসেন্স অর্জন করেছেন। তাঁরা রুশ অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে কেন্দ্রটি পরিচালনা করবেন।

উৎপাদন ক্ষমতা: এখানে দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করবে।

দ্বিতীয় ইউনিট: এ বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটে জ্বালানি লোডিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

পদ্মা নদীর তীরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পটি রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই অগ্রযাত্রার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিশ্চিতের পথে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

এসএফ



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category