
[ad_1]
আপডেটঃ ২:৫৮ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ১২, ২০২৬
দিনাজপুর:- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার চণ্ডিপুর, মমিনপুর ও পলাশবাড়ীসহ পাঁচটি ইউনিয়নে বাড়ির আঙিনায় আধুনিক ট্যাংকি স্থাপন করে দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষের হার বাড়ছে।মূলত পুকুর বা জলাশয়ের অভাব এবং খরাপ্রবণ এলাকার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে এই পদ্ধতিটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর মৎস্য অনুষদের কারিগরি পরামর্শে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন ও এমবিএসকে-র সহায়তায় এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়।
২০ থেকে ২৫ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একেকটি ট্যাংকি সাধারণত ৪ থেকে সাড়ে ৪ ফুট উচ্চতার হয়ে থাকে।ভিয়েতনামি কই, শিং, মাগুর ও তেলাপিয়ার মতো উচ্চ-মূল্যের দেশি জাত।এখানে পানি ফিল্টার করে বারবার ব্যবহার করা হয় এবং কৃত্রিমভাবে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়।স্থানীয় চাষিদের মতে, প্রথাগত পুকুর চাষের চেয়ে এই পদ্ধতিটি বেশ লাভজনক।
জাহিদুল ইসলাম, সাহিদা বেগম ও ফারুক আহমেদের মতো উদ্যোক্তারা এখন এই পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাবলম্বী।বছরে ২ থেকে ৩ বার মাছ উৎপাদন করা সম্ভব।৩-৪ মাসেই মাছ বিক্রির উপযোগী হয়।উৎপাদিত মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বাড়ির আঙিনায় হওয়ায় নারীরাও সহজে এই উদ্যোগে যুক্ত হতে পারছেন, যা নারী ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখছে।
মৎস্য কর্মকর্তাদের মতে, এই পদ্ধতির প্রধান সুবিধা গুলো হলো: প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় খাদ্যের অপচয় ও খরচ কম।পানির গুণাগুণ রক্ষা করা সহজ এবং রোগজীবাণুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।খরাপ্রবণ এলাকা যেখানে পুকুরে পানি থাকে না, সেখানে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।কৃত্রিম অক্সিজেন ও পরিষ্কার পানির কারণে মাছের মৃত্যুহার নেই বললেই চলে।
বর্তমানে পার্বতীপুর পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০৫টি ট্যাংকিতে এই চাষ পদ্ধতি চলছে।এই উদ্যোগের সফলতায় প্রতিবেশী উপজেলা গুলো থেকেও নতুন উদ্যোক্তারা এটি দেখতে আসছেন এবং উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।জেলা মৎস্য বিভাগ বিষয়টিকে একটি সফল উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করে এর প্রসারে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।
IPCS News : Dhaka : আব্দুস সালাম, দিনাজপুর।
[ad_2]