
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, এনআইডি সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, পেশা, জন্ম তারিখ, ভোটার ঠিকানা ও ছবি– এই সাতটি ক্ষেত্রে আপাতত সংশোধন করা যাবে না। তবে নতুন এনআইডি নিবন্ধন কার্যক্রম চালু আছে। ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন বা হয়েছেন তারা, যারা ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছেন। তাদের নামই ভোটার তালিকায় আসবে। এরপর কেউ ভোটার হলেও তিনি আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। গত ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন, তারাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখনও ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি। তবে ইসি সিদ্ধান্ত দিলে তিনি আগামী নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন। আইনগতভাবে ইসির এই এখতিয়ার আছে। আমার জানা মতে তারেক রহমান এখনও ভোটার হননি। তবে নির্বাচন কমিশন যদি চায় তাহলে তিনি ভোটার হতে পারবেন। তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, যদি কমিশন সিদ্ধান্ত দেয়। আইনে এটা আছে। ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন যে কোনো ব্যক্তিকে যে কোনো সময় ভোটার তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২০০৭-২০০৮ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। তারেক রহমানের মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার রয়েছেন। ২০০৮ সালে সপরিবারে লন্ডন যাওয়া পর আর ফেরেননি তারেক রহমান। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। তবে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান দেশে ফিরে ভোটার হয়েছেন।