• বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড চাঁদাবাজ-দখলবাজদের প্রশ্রয় নয়, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে মনোহরদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গ্লোবাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধার বর্ণিল উৎসব, বৃত্তি ও সংবর্ধনায় কৃতীদের সম্মাননা

সোনারগাঁও বনবিভাগে উন্নয়নের নামে রাস্তা-কালভার্ট নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত বনবিভাগের জমিতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নামে রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তাদের অভিযোগ, বন সংরক্ষণ ও পরিবেশ উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম না থাকলেও প্রতি বছর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা সংলগ্ন বনবিভাগের আওতাধীন এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার মধ্যে রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, বনাঞ্চলে গাছের সংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ কিংবা জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের তেমন কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। অন্যদিকে রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের জন্য নিয়মিত সরকারি বরাদ্দ আসছে বলে জানা গেলেও সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বনবিভাগের জায়গাটি কার্যত অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। অনেক সময় এটি মাদকসেবী ও অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়। অথচ প্রতি বছর রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের নামে বরাদ্দ আসে। বাস্তবে কাজের পরিমাণ ও ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, ব্যয় এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে কোনো তথ্য জানানো হয় না। ফলে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে সোনারগাঁও বনবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মুন্না বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন আগে এখানে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা করছি। বর্তমানে বনবিভাগের আওতাধীন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার চারাগাছ রয়েছে।”

রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এসব কাজ বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন করা হয়। কোন ঠিকাদার কাজ পেয়েছেন, সে বিষয়ে এই মুহূর্তে আমার কাছে তথ্য নেই। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে।”

এলাকাবাসীর দাবি, বনবিভাগের জমি পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনকল্যাণমূলক কাজে কার্যকরভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং কাজের মান যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, বনবিভাগের প্রকৃত উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা বা কালভার্ট নির্মাণ নয়; বরং বনাঞ্চল রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জনগণের জন্য নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব একটি এলাকা গড়ে তোলা। তাই সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category