• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড চাঁদাবাজ-দখলবাজদের প্রশ্রয় নয়, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে মনোহরদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফিরলেও বাসডুবিতে মারা যান নাসিমা

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থেকেও জীবিত উদ্ধার হওয়া নাসিমা বেগম (৪০) গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে প্রাণ হারান। তার সঙ্গে ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও দুই স্বজনের।

নাসিমার মৃত্যুতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের বাড়িতে বিরাজ করছে শোকের ছায়া। নাসিমা বেগম ওই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী। শুক্রবার বাদ জুমা পারিবারিক গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে দিনাজপুরে যে কয়েকজন নারী বেঁচে ফিরেছিলেন তাদের মধ্যে তিনটি আলোচিত নাম হচ্ছে ঘোড়াঘাটের রেশমা বেগম, পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম এবং ফুলবাড়ীর রেবেকা সুলতানা। বেঁচে ফেরা এ তিনটি নাম ছিল আলোচিত। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার তিনদিন পর, ২৬ এপ্রিল ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন তারা। তবে এবার আর পদ্মার বাস দুর্ঘটনায় ভাগ্য সহায় হলো না নাসিমা বেগমের। টানা ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে জীবন নিয়ে ফিরে এলেও, এবারের দুর্ঘটনায় ছয় ঘণ্টার মধ্যে পদ্মা থেকে উদ্ধার হয় নাসিমার নিথর দেহ।

জানা গেছে, কর্মের সন্ধানে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান তিনি। সেখানে দীর্ঘ এক মাস চেষ্টার পরও কোনো কাজ পাননি। পরে পার্বতীপুরে বাড়ি ফিরতে চাইলে ভাগনির অনুরোধে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।

ঈদ শেষে ২৫ মার্চ বুধবার বিকেলে নাসিমা, তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসযোগে ঢাকায় ফিরছিলেন। সেই বাসটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান।

কিছু সময় পরে আব্দুল আজিজ জীবিত উদ্ধার হলেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে রওয়ানা দিলে কুষ্টিয়া এলাকায় লাশবাহী গাড়িটি আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানান নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা বেগম। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন আটকে থাকার পর ২৬ এপ্রিল অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন। এরপর তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তিনি আবারও ঢাকায় গিয়েছিলেন।

পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন বলেন, নিহত নাসিমার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category