• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৮৭ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ফায়ার সার্ভিসের মহড়া মনোহরদীতে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফিরলেও বাসডুবিতে মারা যান নাসিমা

Reporter Name / ১৬৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

[ad_1]

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থেকেও জীবিত উদ্ধার হওয়া নাসিমা বেগম (৪০) গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে প্রাণ হারান। তার সঙ্গে ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও দুই স্বজনের।

নাসিমার মৃত্যুতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের বাড়িতে বিরাজ করছে শোকের ছায়া। নাসিমা বেগম ওই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী। শুক্রবার বাদ জুমা পারিবারিক গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে দিনাজপুরে যে কয়েকজন নারী বেঁচে ফিরেছিলেন তাদের মধ্যে তিনটি আলোচিত নাম হচ্ছে ঘোড়াঘাটের রেশমা বেগম, পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম এবং ফুলবাড়ীর রেবেকা সুলতানা। বেঁচে ফেরা এ তিনটি নাম ছিল আলোচিত। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার তিনদিন পর, ২৬ এপ্রিল ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন তারা। তবে এবার আর পদ্মার বাস দুর্ঘটনায় ভাগ্য সহায় হলো না নাসিমা বেগমের। টানা ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে জীবন নিয়ে ফিরে এলেও, এবারের দুর্ঘটনায় ছয় ঘণ্টার মধ্যে পদ্মা থেকে উদ্ধার হয় নাসিমার নিথর দেহ।

জানা গেছে, কর্মের সন্ধানে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান তিনি। সেখানে দীর্ঘ এক মাস চেষ্টার পরও কোনো কাজ পাননি। পরে পার্বতীপুরে বাড়ি ফিরতে চাইলে ভাগনির অনুরোধে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।

ঈদ শেষে ২৫ মার্চ বুধবার বিকেলে নাসিমা, তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসযোগে ঢাকায় ফিরছিলেন। সেই বাসটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান।

কিছু সময় পরে আব্দুল আজিজ জীবিত উদ্ধার হলেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে রওয়ানা দিলে কুষ্টিয়া এলাকায় লাশবাহী গাড়িটি আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানান নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা বেগম। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন আটকে থাকার পর ২৬ এপ্রিল অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন। এরপর তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তিনি আবারও ঢাকায় গিয়েছিলেন।

পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন বলেন, নিহত নাসিমার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category