• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ফায়ার সার্ভিসের মহড়া মনোহরদীতে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ

ফেলানী হত্যা দিবস আজ, এখনো ন্যায়বিচারের আশায় পরিবার

Reporter Name / ২৩০ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

[ad_1]

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশি মাত্র ১৪ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার মরদেহ প্রায় চার ঘণ্টা ধরে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে ছিল। ফেলানীর সেই ঝুলন্ত মরদেহের ছবি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।  মানবাধিকার লঙ্ঘনের সে বেদনাদায়ক ঘটনার স্মরণে প্রতিবছর ৭ জানুয়ারি দিনটি ‘ফেলানী হত্যা দিবস’ হিসেবে স্মরণ করা হয়। ফেলানী খাতুন বাংলাদেশর কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারী গ্রামের এক কিশোরী। সে নুরুল ইসলাম এবং জাহানারা বেগম দম্পতির মেয়ে। আট ভাই-বোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৩০ ঘণ্টা পর তার মরদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে ফেরত দিয়েছিল বিএসএফ। এরপর দেশে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হলে ৭৩ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামে নিজ গ্রামেই দাফন করা হয় তাকে, চিরনিদ্রায় শায়িত হয় নিথর-নিষ্পাপ ফেলানী। এ নির্মম হত্যায় জড়িত বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষের নামে ভারতের কুচবিহারের দিনহাটা পুলিশ স্টেশনে একটি মামলাও দায়ের করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট কোচবিহারের বিএসএফের ১৮১ সদর দপ্তরে অবস্থিত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে ফেলানী হত্যার বিচারকাজ শুরু হলেও সেবছরই ৫ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষকে এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

এই রায় প্রত্যাখ্যান করে ১১ সেপ্টেম্বর ফেলানীর বাবা ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে সে দেশের সরকারকে ন্যায়বিচারের আশায় পত্র লেখেন। এতে আবারও ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার কার্যক্রম শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা একাধিকবার স্থগিত হয়। পরে ২০১৫ সালে আইন ও শালিস কেন্দ্র এবং ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ আরও একটি ক্ষতিপূরণ মামলা করে। ৩১ আগস্ট ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ভারত সরকারকে ফেলানীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ রুপী প্রদানের অনুরোধ করেন। সে ক্ষতিপূরণ আদায় তো দূরের কথা, বরং এ ঘটনায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলামকেই দায়ী করে। পরে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে কয়েক দফা শুনানি পিছিয়ে গেলেও ২০২০ সালের ১৮ মার্চ শুনানির দিন ধার্য হয়। আজও সেই শুনানির অপেক্ষায় ফেলানীর পরিবার। ফেলানী আদৌ কখনও ন্যায় বিচার পাবে কি না, তা জানে না কেউ।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category