• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড চাঁদাবাজ-দখলবাজদের প্রশ্রয় নয়, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে মনোহরদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

আল-আকসার তদারকি থেকে জর্ডানকে সরাতে ‘কাজ করছে’ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সের তদারকি থেকে জর্ডানকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘সক্রিয়ভাবে কাজ করছে’ বলে খবর পাওয়া গেছে। মুসলিমদের এই পবিত্র স্থানটির ব্যবস্থাপনা ইসরায়েলি স্বার্থের অনুকূলে নিয়ে আসার জন্য একটি নতুন চুক্তি বা ব্যবস্থার চেষ্টা চলছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই একাধিক সূত্রের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।

‘বহু-ধর্মীয় কেন্দ্রে’ রূপান্তরের পরিকল্পনা

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এই পরিকল্পনার পেছনে মূল ভূমিকা রাখছেন।

নতুন খসড়া অনুযায়ী, জর্ডান সমর্থিত ‘ইসলামিক ওয়াকফ’-এর কর্তৃত্ব আকস্মিকভাবে অবসান ঘটিয়ে ইসরায়েল সরকারের অধীনে একটি নতুন সংস্থা গঠন করা হবে। এই সংস্থাই আল-আকসাকে একটি ‘বহু-ধর্মীয় কেন্দ্র’ হিসেবে ঘোষণা করবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন ও আরব কর্মকর্তা জানান, নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় ইহুদিদেরও আল-আকসায় সমান প্রবেশাধিকার এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বড় দলে বিভক্ত হয়ে প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হবে। এমনকি মসজিদের ইমাম, খতিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়োগ এবং শুক্রবারের জুমার খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণেও ইসরায়েলের বড় ভূমিকা থাকবে।

আরব দেশগুলোর মধ্যে বিভক্তি

মার্কিন কর্মকর্তারা আল-আকসাকে এর মুসলিম পরিচয় থেকে বের করে তিনটি ইব্রাহিমীয় ধর্মের (ইসলাম, খ্রিস্ট ও ইহুদি) একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান। প্রস্তাব অনুযায়ী, বাহরাইন, মিশর, মরক্কো ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে, যেখানে আরব দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমিক বা ‘আবর্তনশীল’ তদারকির প্রস্তাব রয়েছে।

তবে জর্ডানের ঐতিহাসিক মিত্র সৌদি আরব এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের পর থেকে সম্পর্ক গভীর করলেও আল-আকসার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে কী ভূমিকা নেবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

জর্ডানের কড়া অবস্থান

১৯৯৪ সালের ইসরায়েল-জর্ডান শান্তি চুক্তির ৯ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আল-আকসায় জর্ডানের এই বিশেষ ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জর্ডান সরকারের এক কর্মকর্তা স্পষ্ট জানিয়েছেন, জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর বিষয়ে আম্মানের অবস্থান দৃঢ়। তারা এর ঐতিহাসিক ও আইনি স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছেন।

ওয়াকফ কাউন্সিলের উপ-প্রধান মোস্তফা আবু সোয়ায় বলেন, হাশেমীয় অভিভাবকত্ব এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। এটি নষ্ট করার অর্থ হলো শান্তির মূল নীতিকেই ধ্বংস করা।

এদিকে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category