• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ

৩ গার্মেন্টস মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন


দেশের তিনটি গার্মেন্টসের মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্র্বতী সরকার। সেগুলো হলো- টিএনজেড গ্রুপ, ডার্ড গ্রুপ এবং রোর ফ্যাশন লিমিটেড। 

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পোস্টের লেখা হয়েছে, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে মালিক পক্ষের গাফিলতি এবং দীর্ঘ দিন বিদেশে অবস্থান করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনটি গার্মেন্টসের মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

‘অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- টিএনজেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন শামীম, ডার্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ইত্তেমাদ উদ দৌলাহ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল উদ দৌলাহ এবং রোর ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুল ইসলাম।’ 

‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম আদালত, গাজীপুর এবং প্রথম ও তৃতীয় শ্রম আদালত, ঢাকা দায়েরকৃত মামলাকে ভিত্তি করে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।’ 

এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যারা শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় করবে, আমরা তাদের প্রতি কঠোর হবো। শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও সংশ্লিষ্ট আইনগত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো চলমান রয়েছে। অভিযুক্তদের দেশে ফেরত এনে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

আরও লেখা হয়েছে, ‘কারখানা মালিক/ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করার জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল (এনসিবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ ইন্টারপোল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।’ 

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ‘কারখানার মালিকদের দ্বারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার সম্পর্কে অসহযোগী বা অবহেলাযুক্ত আচরণ সহ্য করা হবে না। এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য পরিণতি হতে হবে। আমি শ্রম উপদেষ্টার দৃঢ় পদক্ষেপের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।’

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই পোশাক শিল্পে নানা অস্থিরতা। কারখানা বন্ধ করে অনেক মালিক বিদেশে পালিয়ে গেছেন। যেগুলো খোলা আছে, সেখানে শ্রমিকরা ঠিকমতো বেতন-বোনাস পাচ্ছেন না। ফলে প্রায়ই তাদের বেতন-বোনাসের দাবিতে আন্দোলনে নামতে দেখা যাচ্ছে। তারই মাঝে মঙ্গলবার নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। 




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts