
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজ সুহা তাবিলের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুর, কেওঢালা সহ ৪টি স্থানে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন তিতাস গ্যাসের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিন আমির খান, প্রকৌশলী শাহ-আলম রনি, এসআই শরীফুল ইসলামসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযানের প্রথম স্পটে মদনপুর ও কেওঢালা এলাকার পাশা ইলেকট্রিক কারখানার গলিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০টি আবাসিক ডাবল চুলার অবৈধ সংযোগ শনাক্ত করা হয়। এসময় প্রায় ৪৫০ ফুট এমএস পাইপ অপসারণ করা হয় এবং প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
দ্বিতীয় স্পটে কেওঢালা বাসস্ট্যান্ড এলাকার হাজী আলী আক্কাছ সুপার মার্কেটে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০টি আবাসিক ডাবল চুলার সংযোগ পাওয়া যায়। সেখানে ৩ ইঞ্চি ব্যাসের প্রায় ৫০ ফুট পাইপ অপসারণ করা হয় এবং প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
তৃতীয় স্পটে ঢাকেশ্বরী স্ট্যান্ড (২৬নং ওয়ার্ড, সোনাচড়াবাগ) এলাকার চুন ফ্যাক্টরিতে কোনো সক্রিয় অবৈধ সংযোগ পাওয়া যায়নি; তবে কিছু পরিত্যক্ত লাইন চিহ্নিত করা হয়।
চতুর্থ স্পটে সল্পেরচক এলাকার বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ ফুট ১ ইঞ্চি এমএস পাইপ অপসারণ করা হয় এবং প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
অভিযানের সবগুলো স্থানে অবৈধ গ্যাস লাইনের উৎসে ‘কিলিং’ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও কোনো জরিমানা, মামলা বা এফআইআর দায়ের করা হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।