
অবশেষে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে পিংকী আক্তারকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির এর স্বাক্ষরিত পিংকী আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
এদিকে জেলা প্রশাসক অফিস এবং নিয়োগপত্র সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান কিংবা প্রশাসক না থাকায় দীর্ঘ দিন ধরে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে সকল নাগরিক সেবার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক অব্যাহত রাখার সার্থে এবং বিদ্যমান আইনগত ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ পিংকী আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়।
নিয়োগ পাওয়া বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকী আক্তার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং আমাকে প্রশাসনিক ক্ষমতার অর্পণ করা হয়েছে তার সম্মান বজায় রেখে সকল মেম্বারদের সাথে জনগণের সেবা দেয়ার চেষ্টা করবে ইনশাআল্লাহ। জেলা প্রশাসক স্যার সহ সদর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশক্রমে আমার অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাবো। আর যেন জনগন নগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসক স্যার প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ পিংকী আক্তারকে আক্তারকে নিয়োগ দেয়ার বিষয় চিঠি হাতে পেয়েছি। পিংকী আক্তারকে পরিষদের প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত আওয়ামী লীগ পতনের পর বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী পালিয়ে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান এর পদ শুন্য হয়ে যায়। পরে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে পূর্বের প্যানেল ভেঙে ১নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুর রশিদ নতুন প্যানেল তৈরি করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। পরবর্তীতে রশিদ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর সদর উপজেলার একটা সরকারি অফিসারকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে রশিদ মেম্বার হাইকোর্টের মাধ্যমে প্রশাসক বাতিল করা হয়। তার পর বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের জনগণ নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে পরে।