• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত

খাল খননে স্বস্তি ফিরেছে ইসদাইরে, টানা বৃষ্টিতেও নেই জলজট

Reporter Name / ১০১ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকা একসময় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যেত। বর্ষা মৌসুম এলেই দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়াতো স্থানীয়দের জন্য। জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তা-ঘাট ডুবে যাওয়া, চলাচলে বিঘ্ন, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা—সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো এলাকাবাসীকে।

 

তবে দীর্ঘদিনের সেই দুর্ভোগ থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন ইসদাইর ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের উদ্যোগে এবং তাঁতি দল নেতা সিদ্দিকুর রহমান উজ্জলের সার্বিক সহযোগিতায় এলাকায় খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।

 

সর্বশেষ টানা দুই দিনের বৃষ্টিতেও ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকা ও আশেপাশে কোথাও পানি জমে থাকতে দেখা যায়নি। বৃষ্টি থামার পরপরই দ্রুত পানি নেমে গেছে, যা স্থানীয়দের কাছে স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। খাল খননের ফলে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায় পানি নিষ্কাশন এখন অনেকটাই সহজ হয়েছে।

 

এলাকাবাসী জানান, আগে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি জমে যেত, বাড়ি থেকে বের হওয়া ছিল কষ্টকর। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে। তারা প্রশাসক মামুন মাহমুদ ও সিদ্দিকুর রহমান উজ্জলের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

 

স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পিত খাল খনন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এনে দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে নারায়ণগঞ্জের অন্যান্য জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাও দ্রুত এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে।

 

এদিকে সচেতন মহল বলছে, শুধু খাল খনন করলেই হবে না, এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। খাল দখল ও ময়লা ফেলা বন্ধে কঠোর নজরদারি থাকলে এই সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে।

 

সব মিলিয়ে, ইসদাইর এলাকায় খাল খননের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে এসেছে—যেখানে একসময় বৃষ্টি মানেই ছিল দুর্ভোগ, এখন তা হয়ে উঠেছে স্বস্তির প্রতীক।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts