• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে দ্য আল-হেরা ফাউন্ডেশনের কুইক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে খাল খনন সম্পন্ন, প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

হিন্দু দম্পতিদের তিনটি করে সন্তান নেয়ার আহ্বান আসামের মুখ্যমন্ত্রীর

Reporter Name / ৩৩১ Time View
Update : রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, রাজ্যে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় জন্মহার বেশি, আর হিন্দুদের মধ্যে তা কমে যাচ্ছে। তাই হিন্দু দম্পতিদের এক সন্তানে না থেমে অন্তত দুইটি— আর সম্ভব হলে তিনটি করে সন্তান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় সন্তান জন্মদানের হার বেশি, আর হিন্দুদের মধ্যে তা ক্রমেই কমছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় সন্তান জন্মদানের হার বেশি। হিন্দুদের ক্ষেত্রে এই হার নিচে নামছে। এখানে পার্থক্য আছে। এই কারণেই হিন্দু পরিবারগুলোকে বেশি করে সন্তান নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তাই আমরা হিন্দুদের বলছি— এক সন্তানে থামবেন না, অন্তত দুই সন্তান নেন। যারা পারে, তারা তিনটাও নিতে পারে। আমরা মুসলমানদের বলি— সাত-আট সন্তান যেন না হয়; আবার হিন্দুদের বলি— আরও সন্তান নেন। না হলে হিন্দুদের ঘর দেখভাল করার কেউ থাকবে না।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যের জনসংখ্যা-প্রবণতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলমানদের জনসংখ্যা ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তার দাবি, তিনি যখন অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন-এর রাজনীতি শুরু করেন, তখন তাদের জনসংখ্যা ছিল ২১ শতাংশ— যা ২০১১ সালের আদমশুমারিতে বেড়ে দাঁড়ায় ৩১ শতাংশে। তাদের জনসংখ্যা ৪০ শতাংশের ওপরে চলে যাবে। দিন বেশি দূরে নয়— ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেখবে, অসমীয়াদের জনসংখ্যা ৩৫ শতাংশের নিচে নেমে গেছে’। ওরা (বাংলাদেশ) প্রায়ই বলে, উত্তর-পূর্ব ভারত আলাদা করে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত। এর জন্য যুদ্ধ করার দরকার নেই। তাদের জনসংখ্যা ৫০ শতাংশ পেরোলে তা আপনা-আপনি হয়ে যাবে।

এদিকে হিমন্ত শর্মার এই মন্তব্য আসামে জনসংখ্যা, পরিচয়, নাগরিকত্ব ও অভিবাসন ইস্যুতে চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ককে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ নিয়ে অতীতের বিতর্কের প্রেক্ষাপটে রাজ্যে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে, আর এর সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও রয়েছে মতভেদ।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts