
সোনারগাঁয়ে জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনের রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২ জনের মধ্যে মারা গেলেন শংকর (২৫) নামে এক স্টাফ। তার শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টায় তিনি মারা যান।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান,
নিহতের শ্বাসনালীও পুড়ে গিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, দগ্ধদের মধ্যে আমির ও কাওসারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমিরের শরীরের ৮০ শতাংশ এবং কাওসারের ৫৯ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া বাকিদের মধ্যে আল আমিনের ২২ শতাংশ, নাজমুলের ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাতের ১২ শতাংশ এবং অন্যদের শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়েছে। তবে এ ঘটনায় সামান্য দগ্ধ ৬জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৩ মে) বেলা ১টার দিকে মেঘনা ঘাটে অবস্থিত জেরা মেঘনা ঘাট পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুপুরে ক্যানটিনে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ ক্যানটিনের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অন্তত ১২ জনের হাত, মুখ ও পা পুড়ে যায়। সহকর্মীরা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), কাউসার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)। তাঁদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।