
জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও একজন প্রার্থীকে নিজ দলের প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন থেকে কোনো আসনে একক প্রার্থী থাকলে ‘না’ ভোটের বিরুদ্ধে লড়তে হবে ওই প্রার্থীকে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্ত করা হয়েছে এবং ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত বিধান বিলোপ করা হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আরপিওতে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী ও কোস্টগার্ডকে যুক্ত করা হয়েছে। মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচিত হয়েও সংসদ সদস্য পদ হারাতে হতে পারে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, হলফনামায় তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্য দিলে ইসি পরে ব্যবস্থা নিতে পারবে, দোষ প্রমাণ হলে সেই ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদও হারাবেন।
এদিকে ‘রিটার্নিং অফিসার চাইলে যেকোনো একটি কেন্দ্র, একাধিক কেন্দ্র বা সমস্ত কনস্টিটিউয়েন্সির নির্বাচন এমনকি ফলাফল স্থগিত করতে পারবেন,’ বলেন ইসি সানাউল্লাহ।
আরপিও’র ১২ ধারার উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার, আদালতের মাধ্যমে কেউ সাজাপ্রাপ্ত হয়ে থাকলে নির্বাচনে অংশ নেয়ার অযোগ্য হবেন। সাধারণ একজন অপরাধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধী সমান সুযোগ পান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া, নির্বাচনী এজেন্টকেও ওই সংসদীয় আসনের ভোটার হতে হবে এবং এখন থেকে একটি কেন্দ্রের সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার একক ক্ষমতা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার হাতেই থাকবে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার।