• মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ

স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা বৃদ্ধির দোয়া – একুশের কাগজ

Reporter Name / ২৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন


স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য দুইজনই বেশি বেশি পড়ুন কোরআনে বর্ণিত এই দোয়াটি:

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ: রাব্বানা হাব লানা মিন আওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আইয়ুনিন ওয়া-জআলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।

অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন জীবনসঙ্গী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকিদের জন্য অনুসরণীয় বানিয়ে দিন। (সুরা ফুরকান: ৭৪)

সুখী, সমৃদ্ধ জীবনের জন্য ভালোবাসাপূর্ণ সুখী দাম্পত্য জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দাম্পত্য সম্পর্কের অশান্তি জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও বড় রকম প্রভাব ফেলে। তাই প্রত্যেক বিবাহিত দম্পতির উচিত নিজেদের সম্পর্ককে ভালোবাসাপূর্ণ, সুস্থ ও সুন্দর রাখার চেষ্টা করা, নিয়মিত নিজেদের সম্পর্কের যত্ন নেওয়া। পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দোয়া করা তিনি যেন সংসারে ভালোবাসা, সুখ-শান্তি বজায় রাখেন, দ্বন্দ্ব-কলহ থেকে হেফাজত করেন।

আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। দোয়ার মাধ্যমে যেমন আল্লাহর আনুগত্য ও রহমত লাভ করা যায়, আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচা যায়, শয়তানের ধোঁকা ও দুনিয়াবি বিপদ-আপদ থেকে বেঁচে থাকা যায়, একইভাবে দোয়ার মাধ্যমে ঈমানও প্রকাশ পায়। আল্লাহর প্রতি বান্দার ভরসা ও নির্ভরতা প্রকাশ পায়। বান্দার বিনয় ও অহংকারহীনতা প্রকাশ পায়। আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেছেন, তোমাদের রব বলেন, তোমরা আমার কাছে দোয়া কর, আমি তোমাদের দোয়া কবুল করব। যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত হতে বিমুখ তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে। (সুরা গাফির: ৬০)

মুমিন আল্লাহ তাআলার কাছে যে কল্যাণকর দোয়া করে, তা কখনও ব্যর্থ হয় না। দোয়ার বদলা আল্লাহ তাআলা অবশ্যই দান করেন। তবে বিভিন্ন সময় দোয়ার প্রতিদান বিভিন্ন রকম হয়। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি এমন দোয়া করে যে দোয়াতে কোনো পাপ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় নেই, তাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দোয়া কবুল করে নেন; হয়তো যে দোয়া সে করেছে তা ওইভাবেই কবুল করেন, তার দোয়ার প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন অথবা এ দোয়ার মাধ্যমে তার ওপর আগত কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। (বুখারি ফিল আদাবিল মুফরাদ)

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts