
সুনির্দিষ্ট কোনও কারণ ছাড়াই জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি থেকে মাহিন সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের পর মাহিন সরকার অভিযোগ করেন, প্রক্রিয়াটি মোটেও স্বচ্ছ বা গণতান্ত্রিক ছিল না। সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এই কথা জানান জুলাই যোদ্ধা মাহিন সরকার নিজেই।
তিনি বলেন ডাকসুর জিএস প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়ন তুলেছেন গতকাল। তবে মনোনয়ন তোলার আগে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সাথে তার এ বিষয়ে আলোচনা হলে নাহিদ তাকে তাদের সমর্থিত কোনও প্যানেল থেকে মনোনয়ন তুলতে বলেন এবং পদের দিকটাও বিবেচনা করতে বলেন। সে বিষয়ে মাহিন সরকার বলেন তিনি দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস রাজনীতির সাথে জড়িত পাশাপাশি তিনি ডাকসুর জন্য লড়াই ও করেছেন।যেহেতু এনসিপির গঠনতন্ত্রে এমন কোনও নির্দেশনা দেওয়া নেই তাই তাকে বহিষ্কার করবার আসল কারণ নিয়ে এখনও ধোয়াশা রয়েছে।
মাহিন সরকার বলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন তাকে পদত্যাগ পত্র জমা দেবার কথা বলেছিলো কিন্তু মাহিন তা করেনি।কেননা পদত্যাগ করার মতো কারণ তার কাছে নেই।“যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আমাকে বহিষ্কার করা হতো, তাহলে আমার কিছু বলার থাকতো। কিন্তু যেভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটি একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।” এটি কেবল আমার প্রতি অবিচার নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক দলের নীতির পরিপন্থীও বটে। আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক দলের ভেতরে গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালী না হলে দেশের গণতন্ত্রও দুর্বল হয়ে পড়ে।সবশেষ তিনি জানান এখন তিনি ফুল্টাইম ছাত্র রাজনীতির সাথেই জড়িত থাকার পরিকল্পনা করছেন