• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন |
  • English Version

বিটিআরসির অনুমতি ছাড়াই ওয়াকিটকি ব্যবহার করছে রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহনী – IPCSBDPress

Reporter Name / ৪৪৩ Time View
Update : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন


আপডেটঃ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ৩০, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

রাজশাহী:- বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) অনুমোদনহীনভাবে ১০০টি ওয়াকিটকি ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে। অথচ রেলে ওয়াকিটকি ব্যবহারের একমাত্র অনুমতিপ্রাপ্ত দপ্তর সংকেত ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ (সিএসটিই)।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অবৈধ ব্যবহার রেলের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ ট্রেন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ট্রেন চলন্ত অবস্থায় গার্ড, চালক ও স্টেশন মাস্টারের মধ্যে ওয়াকিটকির মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়ে থাকে।অথচ আরএনবির অবৈধভাবে কেনা ওয়াকিটকি সিএসটিই বিভাগের অনুমোদিত ফ্রিকোয়েন্সিতে হস্তক্ষেপ (ইন্টারফেয়ারেন্স) ঘটাচ্ছে, যার ফলে মাঝে মাঝেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ধারা ৫৫ অনুযায়ী, ওয়াকিটকি ক্রয় ও ব্যবহারে বিটিআরসির অনুমতি বাধ্যতামূলক।বিটিআরসি সূত্র বলছে, আরএনবির ওয়াকিটকিগুলো অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এ কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

সিএসটিই বিভাগের অধীনে থাকা বৈধ ওয়াকিটকি, বেইস স্টেশন ও রিপিটার ব্যবহারের জন্য বিটিআরসিকে নিয়মিত রয়্যালটি ফি প্রদান করা হয় এবং নির্ধারিত ফ্রিকোয়েন্সির বরাদ্দও রয়েছে।রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার মো. সুবক্তগীন বলেন, “কয়েক বছর আগে ওয়াকিটকিগুলো নিরাপত্তা বাহিনী ভুল করে কিনেছিল।বর্তমানে সেগুলো বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”অন্যদিকে, আরএনবির চিফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম দাবি করেন, “সংবিধানের ১৫২ ধারা অনুযায়ী রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী।আমাদের লাইসেন্স বা ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

তবে এ দাবিকে নাকচ করে বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল বলেন, “শুধু স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাহিনীই লাইসেন্স ছাড়াই ওয়াকিটকি কিনতে পারে।তবে তাদেরও ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ নিতে হয় এবং রয়্যালটি দিতে হয়।রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী সে তালিকাভুক্ত নয়।”তিনি আরও বলেন, “ধারা ৫৫(৭) অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া ওয়াকিটকি ব্যবহারে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।”বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়াকিটকির এই অব্যবস্থাপনা রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে।ট্রেন চলাচলে যে কোনো সময় মারাত্মক বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

IPCS News : Dhaka : আবুল কালাম আজাদ : রাজশাহী।



Source link


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts