• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৮৭ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ফায়ার সার্ভিসের মহড়া মনোহরদীতে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাধ্য হয়ে কসম করার পর ভেঙে ফেললে কাফফারা দিতে হবে?

Reporter Name / ১৯৪ Time View
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন

[ad_1]

প্রশ্ন: আমার স্বামী মাঝে মাঝে ঝগড়ার সময় বিভিন্ন অসম্ভব বিষয়ে আমাকে আল্লাহর নামে কসম করতে বাধ্য করেন। এ রকম কসম ভেঙে ফেললে কি গুনাহ হবে বা কাফফারা দিতে হবে?

উত্তর: কারো চাপে পড়ে বা বাধ্য হয়ে কৃত কসম ভেঙে ফেললেও কাফফারা দিতে হয়। তাই আপনার ভেঙে ফেলা কসমগুলোর জন্য কাফফারা দিতে হবে।

কসমের কাফফারা হলো, দশজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দুই বেলা তৃপ্তি সহকারে খাবার খাওয়ানো অথবা দশজন দরিদ্র ব্যক্তিকে এক জোড়া করে কাপড় দেওয়া। এভাবে কাফফারা আদায় করার সামর্থ্য না থাকলে লাগাতার তিন দিন রোজা রাখা।

আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ তোমাদের পাকড়াও করেন না অর্থহীন কসমের ব্যাপারে, কিন্তু যে কসম তোমরা দৃঢ়ভাবে কর সে কসমের জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করেন। সুতরাং এর কাফফারা হল দশ জন মিসকিনকে খাবার দান করা, মধ্যম ধরনের খাবার, যা তোমরা নিজেদের পরিবারকে খাইয়ে থাক, অথবা তাদের বস্ত্র দান করা, কিংবা একজন দাস-দাসী মুক্ত করা। যে সামর্থ্য রাখে না, তার জন্য তিন দিন রোজা রাখা। (সুরা মায়েদা: ৮৯)

কসমের কাফফারা টাকা দিয়েও আদায় করা যায়। খাবার খাওয়ানো বা পোশাক বিতরণের বদলে এর যে কোনোটির মূল্য অর্থাৎ দশজন মিসকিনকে দুই বেলা মধ্যম মানের খাবার খাওয়ালে যে ব্যয় হতো তা হিসাব করে বা দশ জোড়া পোশাকের মূল্য সদকা করলে কফফারা আদায় হয়ে যায়।

আল্লাহর নামে অনর্থক বা অসম্ভব কাজের কসম করতে বাধ্য হলে হলে পরবর্তীতে ওই কসম ভেঙে ফেলার কারণে আপনি গুনাহগার হবেন না। কিন্তু আপনার স্বামী আল্লাহর নামকে এভাবে অসম্মান করার কারণে গুনাহগার হবেন। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন, এভাবে আল্লাহর নামকে ঝগড়ার সময় মানসিক নির্যাতনের হাতিয়ার বানানো অত্যন্ত গর্হিত কাজ, তিনি যেন এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকেন।

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category