• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
চাকরির পেছনে না ছুটে পটল চাষেই লাখপতি দিনাজপুরের আব্দুর রহিম – IPCSBDPress বন্দরে ইউপি সদস্যের মারধরে বৃদ্ধের মৃত্যু: হত্যা মামলা, গ্রেপ্তার ১ বন্দরে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ, মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপে উত্তেজনা ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় কমিটিকে অভিনন্দন রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার – IPCSBDPress সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১২ ফতুল্লায় আন্তঃজেলা গাড়ি চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩টি গাড়ি দিনাজপুরে শিশুদের নিয়ে অনন্য গ্রিন লার্নিং বিপ্লব – IPCSBDPress মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে বৈষম্যমুক্ত মানবিক ফোরামের আলোচনা সভা পাওনা টাকা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে বন্দরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

পদত্যাগ করলেন আলোচিত সেই শিক্ষিকা

Reporter Name / ৩৪১ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন


ক্লাসরুমে কনের সাজে দাঁড়িয়ে থাকা বিভাগীয় প্রধানের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক ছাত্র। আর তার সাক্ষী ছিলেন ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীরা। পরে ওই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে শোরগোল পড়ে যায় সবখানে।

এরপরেই অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি বিভাগের প্রধান পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছুটিতে পাঠিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এবার সেই সেই পদ থেকে সরে যাওয়ার কথা জানালেন আলোচিত এই অধ্যাপিকা। ই-মেইলের সাহায্যে কর্তৃপক্ষের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

যদিও পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ভিডিওতে যা দেখা গেছে, তা শিক্ষার্থীদের একটি নাটকের অংশ ছিল মাত্র।

তবে তার এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরেই বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। সেই কমিটি তদন্ত শেষে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছে কর্তৃপক্ষের কাছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি সঠিক নয়। এই ঘটনার সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের নাটকের কোনো সম্পর্ক নেই।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. পার্থপ্রতিম লাহিড়ী জানিয়েছেন, তদন্তের রিপোর্ট আমি দেখিনি। তদন্ত কমিটি সেই রিপোর্টটি ভাইস চ্যান্সেলরকে দিয়েছে। অধ্যাপিকা গত ১ ফেব্রুয়ারি ই-মেইল করে পদত্যাগের কথা বলেছেন। তবে তিনি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ীভাবে ছিলেন না। আর যে ছাত্রের সঙ্গে এই ঘটনাটি ঘটেছে, তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কথা বলেছে। তার অভিভাবকরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কথা বলেছেন। আমরা তার টেককেয়ার করেছি। সে বর্তমানে পরীক্ষা দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা যা জানতে পেরেছি, ঘটনাটি অবশ্যই ঘটেছে এবং শিক্ষিকা বলেছেন ‘সাইকো ড্রামা’। কিন্তু তদন্ত কমিটি যা দেখেছে তাতে ওনার এই যুক্তি ঠিক নয় বলে মনে করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts