• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৮৭ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ফায়ার সার্ভিসের মহড়া মনোহরদীতে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

দেশের অর্থনীতি খারাপ অবস্থার মধ্যে আছে: জোনায়েদ সাকি

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আমরা একটা ভীষণ জাতীয় সংকটের মধ্যে আছি। দেশের অর্থনীতি খারাপ অবস্থার মধ্যে আছে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেউ যাতে ঐক্যে কোনোভাবে ফাটল ধরাতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে গণসংহতি আন্দোলনের এক দশক পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বক্তব্য রাখেন, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার।

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজনে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেউ যাতে ঐক্যে কোনোভাবে ফাটল ধরাতে না পারে, সে জন্য আপনাদের সদা প্রস্তুত, সদা সতর্ক থাকতে হবে এবং সদা চেষ্টা করে যেতে হবে। রাষ্ট্রব্যবস্থা এখনো বিপর্যয় কাটিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। আমাদের মৌলিক সংস্কার দরকার। সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দরকার। আর এই সবকিছু থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে আমাদের নির্বাচন দরকার। আমাদের দরকার গণভোট; একই সঙ্গে দরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন ফেব্রুয়ারির মধ্যে হতে হবে।

জোনায়েদ সাকি  বলেন, শেখ হাসিনার আমলে ভারত বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে; কিন্তু জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম মর্যাদায় দাঁড়াবে। আমরা সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই, কিন্তু মাথা নত করে নয়। জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজনে আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। ফ্যাসিস্টরা ঘৃণা, বিভাজন, নানা রকম ট্যাগিং করে তাদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছে। একদল ওই ঘৃণা, বিভাজন এবং ট্যাগিংয়ের পলিটিকস করে আরেকটা জবরদস্তিমূলক শাসন কায়েম করতে চায়। অভ্যুত্থান পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে, এক ফ্যাসিবাদের বদলে অন্য কোনো জবরদস্তি বাংলাদেশের মানুষ সহ্য করবে না।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category