• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত মনোহরদীতে শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে জনতার হাতে আটক মনোহরদীতে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা মনোহরদীতে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ

একে একে চলে গেলেন পরিবারের ৪ সদস্য

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণের আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের চার সদস্য একে একে পৃথিবীর মায়া ছেড়েছেন। হাসপাতাল বেডে মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন পরিবারের একমাত্র সদস্য সায়মা (৩২)। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। 

বিস্ফোরণে দগ্ধ সাত বছরের শিশু মুন্না বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মারা যান। তার মৃত্যুর তিন ঘন্টা পর মারা যায় তার বোন মুন্নি (১০)। তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।

 

হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, নিহত শিশু মুন্নির শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। তার মৃত্যুর আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় মুন্না (৭)। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

 এরআগে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় একই হাসপাতালে মারা যায় তাদের বোন কথা। সাত বছর বয়সী এ শিশুটিরও শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

 

তাদের বাবা মো. কালাম (৩৫) মারা যান গত সোমবার সকালে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল।

 

বর্তমানে দগ্ধ নিহত কালামের স্ত্রী সায়মা (৩২) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে কেবল মা-ই এখন হাসপাতালে বেঁচে আছেন। তবে মৃত্যু যন্ত্রনায় হাসপাতাল বেডে কাতরাচ্ছেন তিনি।

প্রসঙ্গত: গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশু সন্তানসহ কালাম দম্পতি দগ্ধ হন।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts