• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

একে একে চলে গেলেন পরিবারের ৪ সদস্য

Reporter Name / ১১৫ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণের আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের চার সদস্য একে একে পৃথিবীর মায়া ছেড়েছেন। হাসপাতাল বেডে মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন পরিবারের একমাত্র সদস্য সায়মা (৩২)। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। 

বিস্ফোরণে দগ্ধ সাত বছরের শিশু মুন্না বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মারা যান। তার মৃত্যুর তিন ঘন্টা পর মারা যায় তার বোন মুন্নি (১০)। তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।

 

হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, নিহত শিশু মুন্নির শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। তার মৃত্যুর আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় মুন্না (৭)। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

 এরআগে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় একই হাসপাতালে মারা যায় তাদের বোন কথা। সাত বছর বয়সী এ শিশুটিরও শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

 

তাদের বাবা মো. কালাম (৩৫) মারা যান গত সোমবার সকালে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল।

 

বর্তমানে দগ্ধ নিহত কালামের স্ত্রী সায়মা (৩২) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে কেবল মা-ই এখন হাসপাতালে বেঁচে আছেন। তবে মৃত্যু যন্ত্রনায় হাসপাতাল বেডে কাতরাচ্ছেন তিনি।

প্রসঙ্গত: গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশু সন্তানসহ কালাম দম্পতি দগ্ধ হন।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category