• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
সংসদেও ঐক্যবদ্ধভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের সকল অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করব ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে ১১ দেশ: জেলেনস্কি জ্বালানি তেলের যথাযথ সরবরাহে মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল গঠন ফ্যাসিবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ হবার চেষ্টা করছে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে মনোহরদী পৌরসভায় নগর সমন্বয় কমিটির (TLCC) ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কা নারী দলের কোচ হলেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ যতো কিছুই চলুক, দ্রুতই জুলাই মিউজিয়াম চালু হবেই আজ নরসিংদী’র কৃতি সন্তান ছাত্র নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত শহীদ বাবলু’র ৩৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে সর্বস্তরের জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি বিদেশে কর্মসংস্থানে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইসরায়েলে সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা ইরানি হ্যাকারদের

Reporter Name / ২২৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন


দখলদার ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরানি হ্যাকাররা —এমন দাবি করেছে একটি হিব্রু ভাষার প্রযুক্তিবিষয়ক গণমাধ্যম।  বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে হিব্রু ভাষার পিসি ম্যাগাজিন জানায়, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাইবার যুদ্ধ নতুন কোনো বিষয় নয়; অন্তত গত তিন বছর ধরে এই সংঘাত চলমান রয়েছে।  এই সাইবার যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে নাশকতামূলক হামলা, গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিভিন্ন অপারেশন।

এদিকে, চলতি বছরের জুন মাসে শুরু হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানি সাইবার হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, শত্রু হ্যাকাররা দ্রুত তাদের কৌশল পরিবর্তন ও অভিযোজন করে সাইবার জগতে কার্যকর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে। 

পিসি ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ এটি স্বীকৃত হবে যে চলতি বছরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সাইবার আঘাত হানার ক্ষেত্রে ইরানই শীর্ষে অবস্থান করছে—যদিও তেল আবিব নিজেকে প্রযুক্তিগতভাবে উদ্ভাবনী ও সাইবার নিরাপত্তায় নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসাবে তুলে ধরে। জুন মাসে ‘জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা’র বিরুদ্ধে সাইবার হামলার সংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ছোট ও মাঝারি আকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। 

হ্যাকারদের লক্ষ্যবস্তুতে ছিল ল ফার্ম, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ সেবাদাতা সংস্থা এবং লজিস্টিকস সেবাপ্রদানকারী কোম্পানিগুলো। একই সঙ্গে কাস্টমস ক্লিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ অবকাঠামো-সংক্রান্ত কোম্পানিগুলোকেও দখলে নেওয়ার দাবি করা হয়। আরেক অংশে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় সাইবার আঘাত হানার জন্য দায়ী কয়েকটি হ্যাকিং গ্রুপের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিপুলসংখ্যক হামলার মধ্যে কয়েকটি গ্রুপ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুডিওয়াটার, চার্মিং কিটেন , ডার্কবিট, ফিনিক্স সাইবার স্টর্ম এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হানজালা।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts