• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন |
  • English Version

আধিপত্য ও হাট ইজারা দ্বন্দ্বে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা

Reporter Name / ২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন


রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আন্ডারওয়ার্ল্ডের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, মোহাম্মদপুরের বসিলা পশুর হাটের ইজারা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান ওরফে পিচ্চি হেলালের সঙ্গে টিটনের বিরোধ তৈরি হয়। গত মঙ্গলবার সেই দ্বন্দ্ব মীমাংসার কথা বলে টিটনকে কৌশলে নিউমার্কেটের বটতলা এলাকায় ডেকে আনা হয়। সেখানে আগে থেকে ওতপেতে থাকা মাস্ক ও টুপি পরিহিত চারজন কিলার খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে টিটনের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

তদন্তে জানা গেছে, এই কিলিং মিশনের মূল সমন্বয়কারী ছিল কাইলা বাদল। বাদল ও ভাঙ্গাড়ি রনি সরাসরি গুলি চালায় এবং তাদের নিরাপত্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে প্রস্তুত ছিল শাহজাহানসহ আরও কয়েকজন সহযোগী। ২০২৫ সালের আগস্টে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর টিটন বসিলা হাটের ইজারা নেওয়ার জন্য শিডিউল কেনেন, যা ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা পিচ্চি হেলাল ও তার সহযোগীদের ক্ষুব্ধ করে। এই বিরোধের জেরে গত ২৬ এপ্রিল টিটন তার বড় ভাইকে ফোনে জানিয়েছিলেন যে, পিচ্চি হেলাল ও তার গ্রুপের সঙ্গে হাটের শিডিউল নিয়ে ঝামেলা চলছে এবং তারা তাকে সমঝোতার কথা বলে ডেকেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় ৮-৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে টিটনের দীর্ঘ কারাবাস ও মুক্তি পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের উল্লেখ রয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ এবং বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিএমপি।

এসএফ




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts