• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৬, আদালতে স্বীকারোক্তি

Reporter Name / ১২২ Time View
Update : বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিকাশ ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম (১৯) হত্যা মামলার মূলরহস্য আড়াই বছর পর উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল আসামিসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার বিকালেনপিবিআই সূত্রে জানা যায়, পিবিআইয়ের অতিরিক্ত আইজিপি ও পিবিআই নারায়ণগঞ্জ’র পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জ’র মোঃ মোস্তফা কামাল রাশেদ এ তথ্য জানান।

 তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ মে ভোরে ফতুল্লার আলীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি শান্ত হোসেন (২৭)কে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৪ মে রাতভর ফতুল্লা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আহাদ আলী (২৩), রুবেল (৩২), আশিক (২৩), জুম্মন (২৩) ও জাহিদ হাসান শুভ (২৫)কে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই জানায়, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে শান্ত হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে রিমান্ড শেষে আহাদ আলীও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।

ঘটনার বিবরণ

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত আতিকুল ইসলাম পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাসিন্দা হলেও ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে কাজীপাড়া বাজারে ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশের ব্যবসা করতেন।

২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর সকালে একই এলাকার আরেক বিকাশ ব্যবসায়ী আলী সম্রাট আতিকুলের কাছ থেকে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। রাতে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও পরে তিনি আতিকুলকে আলীগঞ্জ রেললাইন এলাকায় যেতে বলেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে আতিকুল তার বন্ধু মাসুম হোসেনকে নিয়ে সেখানে যান। পরে মাসুম কিছু সময়ের জন্য বাজারে গেলে ফিরে এসে আতিকুলকে আর খুঁজে পাননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়।

দুই দিন পর, ১১ নভেম্বর সকালে আলীগঞ্জ রেললাইন সংলগ্ন হাজী সাহাবুদ্দিনের মাছের খামারের পুকুর থেকে আতিকুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড

তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, আলী সম্রাট পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আতিকুলকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে ছিল গ্রেফতারকৃত আসামিরা। প্রথমে সম্রাট আতিকুলকে ধার দেওয়া ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেয়। এরপর আসামিরা ওই টাকা ও আতিকুলের কাছে থাকা আরও টাকা ছিনিয়ে নেয়।

একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আতিকুলের পেট, বুক ও ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করে। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের মাছের খামারের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার ও তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category