• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বন্দরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, ওসির ভূমিকায় সমালোচনা

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদকসংক্রান্ত ঘটনা এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বন্দর থানা পুলিশের কার্যকারিতা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

 

সমালোচকদের অভিযোগ, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইন্সপেক্টর গোলাম মুক্তার আশরাফউদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। বরং বেশ কয়েকটি আলোচিত অপরাধমূলক ঘটনার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সম্প্রতি বন্দরে পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনতাই, পুলিশের ওপর হামলা, বন্দর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি, সাবেক কাউন্সিলরের ছেলের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুট, শান্তিনগরে প্রকাশ্যে যুবক হত্যা, নবীগঞ্জে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু, এনায়েতনগরে ছিনতাইকারীদের হামলায় হোসিয়ারি শ্রমিক যুবায়ের হত্যা এবং মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মতো ঘটনা ঘটেছে।

 

এদিকে পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর থানায় মোট ৩০টি মামলা রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে মাদক, নারী নির্যাতন, দস্যুতা, সাইবার অপরাধ, চুরি এবং সড়ক পরিবহন আইনের মামলাও রয়েছে। ওই মাসে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০৫ পিস ইয়াবা, ১৬ কেজি গাঁজা ও ১৬ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয় এবং ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় ৫২ জনেরও বেশি আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে বন্দর থানায় ২৬টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে ধর্ষণ, দস্যুতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, চুরি, সড়ক দুর্ঘটনা, মাদক এবং মারামারির ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই মাসে ১৪ জন মাদক কারবারিসহ মোট ৬৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৩ হাজার ২৪০ পিস ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন ও ফেন্সিডিল।

 

তবে সমালোচকদের দাবি, মামলার সংখ্যা ও গ্রেপ্তার বাড়লেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নিয়মিত অভিযান, গ্রেপ্তার ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

বন্দরের সচেতন নাগরিকদের মতে, অপরাধ দমনে আরও কার্যকর পদক্ষেপ, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এতে করে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category