• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

নদীতে ৯ বছর পড়ে আছে ভাঙা সেতু ১৫ কিমি পথ ঘুরছেন ১০ গ্রামের মানুষ – IPCSBDPress

Reporter Name / ১৩১ Time View
Update : বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন

[ad_1]

আপডেটঃ ৩:০৮ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২৩, ২০২৬

নিউজ ডেস্কঃ

দিনাজপুর:- দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় পুনর্ভবা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে।নির্মাণের পর মাত্র এক বছর টিকলেও, গত প্রায় এক দশকে সেতুটি পুনর্নির্মাণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধসে পড়া এই কাঠামোর কারণে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভোগনগর ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।সেতুটি চালু থাকলে উপজেলা সদরে যেতে যেখানে সামান্য সময় লাগত, সেখানে এখন বাধ্য হয়ে ১৫ থেকে ১৬ কিলোমিটার পথ বাড়তি ঘুরতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি কোষাগারের প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালে ১৬ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল।কিন্তু নির্মাণের মাত্র এক বছরের মাথায় ২০১৭ সালের বন্যায় নদীর তীব্র স্রোতে সেতুটির দুই পাশের মাটি ধসে পুরো কাঠামোটি ভেঙে পড়ে।এরপর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেতুটি নতুন করে নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বর্তমানে সেতুর দুই পাশে চকচকে পাকা রাস্তা থাকলেও মাঝখানের বিচ্ছিন্ন অংশের কারণে সব ধরনের যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।বীরগঞ্জ উপজেলা বরাবরই সবজি উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ।কিন্তু সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের খেটে খাওয়া কৃষকরা।কৃষক মাহাবুর আক্ষেপ করে বলেন, উৎপাদিত সবজি বাজারে নিতে এখন আমাদের দ্বিগুণ পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে।

লাভের আশায় ফসল ফলাই, কিন্তু যাতায়াতের অভাবে এখন উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে।আরেক কৃষক আজগার আলীর কণ্ঠেও একই হতাশা।তিনি জানান, আগে পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি এলাকা থেকে এসে পণ্য কিনে নিয়ে যেতেন।এখন যাতায়াত ব্যবস্থা খারাপ হওয়ার অজুহাতে তারা আর আসতে চান না।এতে ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়ছেন চাষিরা।

যাতায়াতের এই করুণ দশায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা।স্থানীয় শিক্ষার্থী সাদিয়া খাতুন জানায়, বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়ে যাওয়া একরকম অসম্ভব হয়ে পড়ে।অনেককে দীর্ঘ পথ ঘুরে স্কুলে যেতে হয়, আবার কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সেতুর পাশ দিয়েই নদী পারাপার হয়।এতে এলাকার নিয়মিত শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

দীর্ঘ ৯ বছরেও সেতুটি পুনর্নির্মিত না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে।মহানপুর এলাকার বাসিন্দারা জানান, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এলাকার অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোপাল দেব শর্মা বলেন, কেবল একটিমাত্র সেতুর অভাবে আমাদের পুরো এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর চিরাচরিত আশ্বাসের সুরেই বলেন, সড়কটির ইতোমধ্যে উন্নয়ন করা হয়েছে এবং ভাঙা সেতুটি আমরা পরিদর্শন করেছি।বর্তমান বাস্তবতায় সেতুটি নতুনভাবে নির্মাণের পরিকল্পনা এখন প্রক্রিয়াধীন।প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে শিগগিরই আলোচনা করা হবে।তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন দীর্ঘ ৯ বছর ধরে যে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন নিশ্চুপ ছিলেন, তাদের এই ‘পরিকল্পনা’ আর ‘আশ্বাস’ বাস্তবে রূপ নিতে আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে?

IPCS News : Dhaka : আব্দুস সালাম, দিনাজপুর।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category