
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেছেন, একটি গোষ্ঠী তাদের বিষাক্ত দাঁত কিন্তু লুকিয়ে রাখছে। তাদের হিংস্র নখের থাবা বিভিন্ন পকেটে লুকিয়ে রেখে একেক সময় একেক কথা বলছে। কখনো মুসলমানদের মিটিংয়ে গিয়ে বলছেন বেহেশতের ব্যবস্থা করে দেবেন। আবার অন্য ধর্মের মানুষদের বলছেন—না, আমরা কোনো শরিয়াহ আইন চালু করব না। তাদের টার্গেট একটাই কোনো মতে ক্ষমতায় গিয়ে নিজস্ব চেহারা জনগণের সামনে তুলে ধরবে। সেই ভয়ংকর চেহারা দেখতে জাতি আর চায় না।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সোহেল বলেন, আমরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করছি এবং আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন, একটি গোষ্ঠী, যারা একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছেন এবং করিয়েছেন, যারা মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছেন এবং করিয়েছেন, সেই গোষ্ঠী আবার তাদের অপতৎপরতা শুরু করেছেন এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা জোটের ছদ্মাবরণে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থির করতে চাচ্ছেন। আমরা এও লক্ষ করছি, জনগণ যখন একটি পরিচ্ছন্ন নির্বাচন, একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে ভোট দেওয়ার জন্য, ঠিক সে রকম একটি সময় নানা রকম ষড়যন্ত্রের কথাও আসছে আমাদের কানে।
তিনি আরও বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার যে লড়াই আমাদের নেতা তারেক রহমান করছেন, সেই লড়াইয়ে আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। এর অর্থ এই না যে, আমরা একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ নির্বাচনের আন্দোলন বন্ধ করে দিয়েছি। আমাদের আন্দোলন আন্দোলনের জায়গায় আছে। যদি দেখি আবারও কোনো গোষ্ঠী প্রশাসনের ভেতরে বা বাইরে এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে, জনগণের রায়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে কোনো রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, শহীদ জিয়ার সৈনিকরা প্রয়োজনে সেই আন্দোলনকে আবারও মাঠে নিয়ে আসবে।