
মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের উদ্যোগে ঢাকার নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশাল শ্রমিক সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিক দলের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে অংশ নেন। নারায়ণগঞ্জ থেকেও জেলা ও মহানগর শ্রমিক দলের উদ্যোগে মহানগর, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ এমপি, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানসহ শীর্ষ নেতারা।
তবে এত বড় আয়োজনেও অনুপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজারুল ইসলাম মান্নান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।
প্রতিবেদক সমাবেশস্থল নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা ঘুরেও সোনারগাঁওয়ের কোনো নেতার উপস্থিতি দেখতে পাননি। জেলার একাধিক শীর্ষ নেতাও তাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, সমাবেশকে সফল করতে আগে থেকেই পল্টন কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং জেলার প্রতিটি ইউনিটকে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি সমাবেশের আগের দিন দলীয় প্রধানও প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এ সমাবেশে সোনারগাঁওয়ের দায়িত্বশীল নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজারুল ইসলাম মান্নানসহ স্থানীয় নেতারা আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি বাহাউল হকের কুলখানির অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ফলে তারা মে দিবসের এই সমাবেশে যোগ দেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।