
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশে নতুন জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে। আমরা প্রত্যাশা করি যে, জনগণের আকাঙ্ক্ষা, জুলাই অভ্যুত্থানকে ধারণ করে আমাদের এ জাতীয় সংসদ জনগণের পক্ষের সংসদ হয়ে কাজ করবে। কারণ বিগত সময়ে যারাই মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার চেষ্টা করেছে, জনগণের ভোট নামক আমানতের সঙ্গে সংসদে বসে প্রতারণা করার চেষ্টা করেছে, কারো পরিণতি ভালো হয়নি। আমরা অল্প কিছুদিন আগে এ ঘটনার সাক্ষী হয়েছি।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, এই সরকারের একটি বিষয় আমাদেরকে খুবই আশাহত করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, বাংলাদেশের যে বেসরকারি স্কুলগুলো রয়েছে এমপিওভুক্ত, সেখানে ম্যানেজিং কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব যারা পালন করেন তাদের ন্যূনতম একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। অন্তত স্নাতক মানে অনার্স সমমানের তার সার্টিফিকেট থাকতে হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম এ সরকার এসে সেই নিয়মটা বাতিল করে দিলো। কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না।
তিনি আরও বলেন, একটা স্কুল, সেই স্কুলে শত শত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। সেখানে পুরো স্কুলের যিনি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, তার যদি সেটা হওয়ার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা না লাগে তাহলে এ ধরনের একজন অযোগ্য মানুষই ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। আমাদের প্রজন্মের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে কেউ যেন ক্ষমতার প্রভাবের কোনো ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার না করতে পারে, আপনাদের এ দায়িত্বটা নিতে হবে। কোনো দলের সঙ্গে আমাদের দলীয় কোনো ক্ল্যাশ নেই। আমরা চাই সবাই একসঙ্গে কাজ করতে। আপনারা ভালো কাজ করেন, আমাদের আপনাদের সঙ্গেই পাবেন, ডাকলেই পাবেন।