• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
চাকরির পেছনে না ছুটে পটল চাষেই লাখপতি দিনাজপুরের আব্দুর রহিম – IPCSBDPress বন্দরে ইউপি সদস্যের মারধরে বৃদ্ধের মৃত্যু: হত্যা মামলা, গ্রেপ্তার ১ বন্দরে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ, মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপে উত্তেজনা ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় কমিটিকে অভিনন্দন রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার – IPCSBDPress সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১২ ফতুল্লায় আন্তঃজেলা গাড়ি চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩টি গাড়ি দিনাজপুরে শিশুদের নিয়ে অনন্য গ্রিন লার্নিং বিপ্লব – IPCSBDPress মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে বৈষম্যমুক্ত মানবিক ফোরামের আলোচনা সভা পাওনা টাকা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে বন্দরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফেলানী হত্যা দিবস আজ, এখনো ন্যায়বিচারের আশায় পরিবার

Reporter Name / ১৫২ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন


২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশি মাত্র ১৪ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার মরদেহ প্রায় চার ঘণ্টা ধরে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে ছিল। ফেলানীর সেই ঝুলন্ত মরদেহের ছবি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।  মানবাধিকার লঙ্ঘনের সে বেদনাদায়ক ঘটনার স্মরণে প্রতিবছর ৭ জানুয়ারি দিনটি ‘ফেলানী হত্যা দিবস’ হিসেবে স্মরণ করা হয়। ফেলানী খাতুন বাংলাদেশর কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারী গ্রামের এক কিশোরী। সে নুরুল ইসলাম এবং জাহানারা বেগম দম্পতির মেয়ে। আট ভাই-বোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৩০ ঘণ্টা পর তার মরদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে ফেরত দিয়েছিল বিএসএফ। এরপর দেশে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হলে ৭৩ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামে নিজ গ্রামেই দাফন করা হয় তাকে, চিরনিদ্রায় শায়িত হয় নিথর-নিষ্পাপ ফেলানী। এ নির্মম হত্যায় জড়িত বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষের নামে ভারতের কুচবিহারের দিনহাটা পুলিশ স্টেশনে একটি মামলাও দায়ের করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট কোচবিহারের বিএসএফের ১৮১ সদর দপ্তরে অবস্থিত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে ফেলানী হত্যার বিচারকাজ শুরু হলেও সেবছরই ৫ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষকে এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

এই রায় প্রত্যাখ্যান করে ১১ সেপ্টেম্বর ফেলানীর বাবা ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে সে দেশের সরকারকে ন্যায়বিচারের আশায় পত্র লেখেন। এতে আবারও ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার কার্যক্রম শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা একাধিকবার স্থগিত হয়। পরে ২০১৫ সালে আইন ও শালিস কেন্দ্র এবং ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ আরও একটি ক্ষতিপূরণ মামলা করে। ৩১ আগস্ট ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ভারত সরকারকে ফেলানীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ রুপী প্রদানের অনুরোধ করেন। সে ক্ষতিপূরণ আদায় তো দূরের কথা, বরং এ ঘটনায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলামকেই দায়ী করে। পরে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে কয়েক দফা শুনানি পিছিয়ে গেলেও ২০২০ সালের ১৮ মার্চ শুনানির দিন ধার্য হয়। আজও সেই শুনানির অপেক্ষায় ফেলানীর পরিবার। ফেলানী আদৌ কখনও ন্যায় বিচার পাবে কি না, তা জানে না কেউ।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts