• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন |
  • English Version

দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে

Reporter Name / ২৯০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন


প্রধান উপদেষ্টা

দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার একাধিক সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। চট্টগ্রামের কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা সমাধানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়াং-সিক তার কূটনৈতিক মেয়াদ শেষ হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত পার্ক সুদানের আবিয়েই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় নিহত ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য শুভকামনা জানান এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাংলাদেশদক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ক আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক চুক্তির অগ্রগতি, মানবসম্পদে বিনিয়োগ এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণ। রাষ্ট্রদূত পার্ককে তার সফল দায়িত্বকাল শেষ করার জন্য অভিনন্দন জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করতে তার অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা।

আলাপকালে রাষ্ট্রদূত পার্ক জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট স্যামসাং বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহী হয়েছে, যার মধ্যে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে নতুন দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের পণ্যবিশেষ করে তৈরি পোশাকদক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার পোশাক আমদানিতে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব পাঁচ শতাংশেরও কম। ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া এ বাজারে প্রভাবশালী, কারণ তারা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করছে। দুই দেশের গভীর সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রস্তাব দেন, বাংলাদেশি তরুণদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থান যোগ্যতা বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়া যেন আরও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিশেষ করে ভাষা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করে।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts