• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত মনোহরদীতে শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে জনতার হাতে আটক মনোহরদীতে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা মনোহরদীতে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ

রক্তাক্ত নরসিংদী ১০ দিনে ৭ খুন, আতঙ্কে সাধারন মানুষ

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন

[ad_1]

নরসিংদীতে টানা খুনোখুনি, গোলাগুলি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী তৎপরতায় জনজীবন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। গত ১০ দিনে জেলার তিনটি উপজেলায় অন্তত সাতটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও চলছে অস্ত্রের মহড়া, সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা। সাধারণ মানুষ বলছে, জীবন যেন অপরাধীদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

ঘটনাপঞ্জিঃ

৮ সেপ্টেম্বর, রায়পুরা: সমীবাদ গ্রামে বিরোধের জেরে গুলিতে নিহত হন কৃষক দুলাল মিয়া (৪৫)। আহত কিশোর নাহিমসহ অন্তত ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর হয়, পুরুষরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

১০ সেপ্টেম্বর, শিবপুর: পানি নিষ্কাশন নিয়ে বিরোধের জেরে চাচার হাতে নিহত হন দুই ভাই সোহাগ (৪০) ও রানা (৩৫)।

১৪ সেপ্টেম্বর, রায়পুরা: ব্যবসায়ী মানিক মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে নদীর পাড়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

১৮ সেপ্টেম্বর, রায়পুরা: পারিবারিক কলহে মানিক মিয়ার ছুরিকাঘাতে নিহত হন স্ত্রী শিউলি আক্তার (৩০)।

একই দিন ভোরে মুরাদনগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলিতে নিহত হন ইদন মিয়া (৬০), আহত অন্তত পাঁচজন।

১৯ সেপ্টেম্বর, নরসিংদী সদর: আলোকবালীর জুমার নামাজ চলাকালে প্রতিপক্ষের গুলি ও কুপিতে নিহত হন গৃহবধূ ফেরদৌসি আক্তার (৩৫)। তিনি স্থানীয় বিএনপির এক গ্রুপের কর্মীর স্ত্রী ছিলেন।

পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানান, “বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ড পারিবারিক। প্রতিটি ঘটনায় মামলা হয়েছে, তদন্ত চলছে। অপরাধী যেই হোক, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বসে নেই।”

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়েই বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ড ঘটছে। পুলিশকে কোথাও দেখা যায় না, দেখা গেলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। ফলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

জেলায় টানা হত্যাকাণ্ডে সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কেউ সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতে সাহস করছে না।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন— “নরসিংদীতে কি আর নিরাপদে বেঁচে থাকা যাবে?”

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts