• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত

ঋণের ভারে হাঁসফাঁস করছে মোদি সরকার

Reporter Name / ১৮৭ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

[ad_1]

নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে যতই বড় বড় বুলি আওড়ানো হোক, সরকারি তথ্যই প্রমাণ করছে—দেশের অর্থনীতির ভিত কতটা নড়বড়ে হয়ে উঠছে। রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সর্বশেষ রিপোর্ট জানাচ্ছে, আগস্ট পর্যন্ত বিদেশি ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৭৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, টাকায় যা প্রায় ৬৫ লাখ কোটি। মাত্র এক বছরে ১০ শতাংশ ঋণ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা অর্থনীতির কাঠামোর ভেতরের দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

সরকারের দাবি— ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, খুব শিগগির ছুঁয়ে ফেলবে পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, ধার করে সেই স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে। আজকের দিনে একজন ভারতীয় নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা, যা এক দশক আগে কল্পনাও করা যেত না।

বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস ছিল— চলতি অর্থবছরের শেষে ঋণের অঙ্ক হবে ১৮১ লাখ কোটি টাকা, কিন্তু মাত্র পাঁচ মাস পর সরকারি হিসাবই বলছে ২০০ লাখ কোটির কাছাকাছি চলে যাবে। এই ব্যবধানই দেখাচ্ছে সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কতটা দুর্বল এবং অনুমান কতটা ভুল। মূলত ডলারের তুলনায় টাকার পতন এবং অতিরিক্ত ধার শোধ করার চাপ অর্থনীতিকে টেনে নিচ্ছে গভীর খাদে। দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এখন ৬০১ বিলিয়ন ডলার আর স্বল্পমেয়াদি ১৩৪ বিলিয়ন ডলার। এগুলো মেটাতে গিয়ে বিপুল সুদের বোঝা পড়ছে সরকারের ওপর। চলতি অর্থবছরেই সুদ বাবদ খরচ হতে পারে প্রায় ১২ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা।

মোদি যখন ক্ষমতায় আসেন, ভারতের ঋণের অঙ্ক ছিল ৭০ লাখ কোটি, যা জিডিপির ৫১ শতাংশের মতো। এখন সেটাই পৌঁছে গেছে ২০০ লাখ কোটির কাছাকাছি—জিডিপির ৫৬ শতাংশে। অথচ সরকার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্রচারে ব্যস্ত এবং ‘সেবাপক্ষ’ পালনে বাহুল্য প্রদর্শন করতে। আর দেশের জনগণ জানছে, আগামী প্রজন্মের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে আরও বিশাল ঋণ।

প্রশ্ন উঠছে— ভারত কি সত্যিই অর্থনৈতিক বিশ্বশক্তি হয়ে উঠছে, না শুধু সংখ্যার খেলা আর প্রচারের জাঁকজমক দিয়ে বাস্তব সংকট ঢেকে রাখা হচ্ছে? অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, ঋণ নিয়ে উন্নয়ন করা যায় না, তা সাময়িক চাকচিক্য আনলেও ভেতরে ফেলে যায় ফাঁপা কাঠামো। মোদির ভারতও কি সেই পথে হাঁটছে?



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts