
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল আবাসিক এলাকার ‘হীরাঝিল সমাজ কল্যান সমিতি’ নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর উক্ত সমিতি অফিসটি দখলে নেয় একটি গ্রুপ। বর্তমানে হীরাঝিল সমাজ কল্যান সমিতি অফিস দখলে নিতে আরও কয়েকটি গ্রুপ সক্রীয় হয়েছে। এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য এই সমিতির মাধ্যমে হীরাঝিল এলাকার বাড়ীর মালিক, ফ্ল্যাট মালিক ও দোকানদারদের থেকে চাঁদা আদায় করা হয়।
গত ৫ ই আগস্টের পর নির্বাচন ছাড়া সমিতি অফিসটি যারা দখলে নিয়েছেন তারা বাড়ীর মালিক, ফ্ল্যাট মালিক ও দোকানদারদের থেকে ৩ গুণ চাঁদা আদায় করেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। তিন গুণ চাঁদা আদায় করার পর চলে ব্যাপক দুর্নীতি। হীরাঝিল সমিতি অফিস দখলে নিতে একাধিকবার মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। সমিতির এ অফিসটি নিয়ে কয়েকবার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ সমাজ কল্যান অফিস থেকে একজন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় সমিতিতে। কিন্তু প্রশাসক নিয়োগ থাকা সত্ত্বেও দখল মুক্ত করতে পারেনি হীরাঝিল সমাজ কল্যান সমিতির অফিস। হীরাঝিল সমাজ কল্যান সমিতি অফিস নিয়ে চলছে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমরা দোকান প্রতি চাঁদা দিতাম ১০০ টাকা। কিন্ত ৫ ই আগস্টের পর দোকান প্রতি দিতে হয়েছে ৩৫০ টাকা। আমাদেরকে এক প্রকার বাধ্য করে এ চাঁদা আদায় করা হয়েছে। তারা আরও বলেন, শুধু দোকানই নয়, বাড়ীর মালিক ও ফ্ল্যাট মালিকদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সেংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের কাছে এলাকাবাসী দাবি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে হীরাঝিল সমাজ কল্যান সমিতি নির্বাচনের ব্যবস্থা অতি দ্রুত করা হোক। সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করতে চায় হিরাঝিল আবাসিক এলাকাবাসী। এ জন্য তারা সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।