• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত মনোহরদীতে শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে জনতার হাতে আটক মনোহরদীতে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা মনোহরদীতে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ

‘সারকারখানার ট্রাকস্ট্যান্ডে ১৫০ টাকার চাঁদা এখন ৬০০ টাকা’: জামায়াত নেতা

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

[ad_1]

“ফ্যাসিস্ট আমলে পলাশে সারকারখানার যে ট্রাকস্ট্যান্ড আছে, ওই ট্রাকস্ট্যান্ড থেকে চাঁদা নিতো ১০০-১৫০ টাকা, বর্তমানে প্রতিটি ট্রাককে দিতে হয় ৬০০ টাকা চাঁদা। এই টাকা যায় কোথায়, এই টাকা কী সরকারে উঠায়, ফ্যাক্টরি উঠায়, এই টাকা কে উঠায়? এমন প্রশ্ন করেছেন নরসিংদী জেলা জামায়াতে ইসলামীর জেনারেল সেক্রেটারি উপাধ্যক্ষ আমজাদ হোসাইন।

রোববার (২১ আগস্ট) বিকেলে নরসিংদী-২ (পলাশ) নির্বাচনী এলাকার ঘোড়াশাল পৌর সভার বালুচরপাড়া এলাকায় দাঁড়িপাল্লা সমর্থক ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত সর্বস্তরের জনগণের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এই প্রার্থী আরও বলেন, চাঁদাবাজরা চাঁদা উঠায়। জমা দেয় কার কাছে? এটা এদেশের মানুষ জানে। আগে পলাশ বাসস্ট্যান্ড ও ঘোড়াশাল বাসস্ট্যান্ডে  চলন্ত সড়কে ট্রাক দাড় করিয়ে নিতো ২০-৩০ টাকা, এখন নেয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। মাসে ৭০ হাজার টাকা অবৈধভাবে উত্তোলন করা হয়, এখানে কোনো ইজারা নাই। ফ্যাক্টরির মালিকরা এখন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মাসিক বেতন দেয়। কর্মচারীদের যেমন বেতন দেয়া হয়। নরসিংদীর পলাশে ছোট-বড় ১২৮টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় চাঁদার হার মাসিক হারে নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

আমজাদ হোসাইন আরও বলেন, “আমি কথা বলেছি ব্যবসায়ীদের সাথে। তারা আমাকে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাঁদা প্রদান করা না হলে, চাঁদাবাজরা কারখানা বন্ধ করে দেয়ার জন্য হুমকি-ধামকি দেয়। এসব চাঁদাবাজ কারা আপনারা জানেন।”

ঘোড়াশাল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি প্রকৌশলী মো.নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও পৌর শাখার সহকারী সেক্রেটারি মকসুদুর রহমানের সঞ্চালয়নায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মো. সাইয়েদুজ্জামান, জেলা ইউনিট সদস্য মাও: মোজাম্মেল হক, পলাশ থানা সেক্রেটারি মাসুদ করিমসহ অন্যান্যরা।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts