
তিনি বলেন, যদি আমার বা আপনাদের কোন কাজে কর্মে সরকারের উপর কোন বদনাম আসে বা সরকারের বিরুদ্ধে যদি সাংবাদিকরা লেখার সুযোগ পায়। মনে রাখবেন আমাকে যেমন আমার প্রধানমন্ত্রী ছাড়বেন না বলে দিয়েছেন আপনাদের ও কিন্তু আমি ছাড়বো না। একদম সোজা কথা৷ বিন্দুমাত্র যদি অন্যায় কেউ করে, সমাজ বিরোধী কাজ কেউ করে বা সহযোগীতা করে যেখানে যাকে পাওয়া যাবে তাকেই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, আজ থেকে ২ বছর আগে সরকার চালালো আর আজকের সরকার চালানো অনেক পার্থক্য রয়েছে । এখনকার যে তরুণ প্রজন্ম, সাংবাদিক, বুদ্ধিজিবী, বিরোধী দল সবাই আমাদের দিকে বাজপাখির মতো তাকিয়ে আছে নোট করার জন্য আমরা কি করি৷ সমাজ এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সমাজ এখন ভালো কাজ দেখতে চায়৷ কাজেই সমাজ জেগে ওঠবে একটা সরকারের বিরুদ্ধে তখন আড়াই মাস না আড়াই বছর না কি আড়াই ঘণ্টা সেটা মুখ্য ব্যাপার না। আমরা খারাপ কাজ করলে মানুষ জেগে ওঠবে৷
মন্ত্রী বলেন, আমাদের কোন কাজ কর্মে যেনো আমাদের সরকার অপমানিত না হয়। সরকারের কাজে যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সাবধান থাকবেন। সরকারকে ৫ বছর চলতে দেওয়াই আমাদের কর্মের সার্থকতা।
মনোহরদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকত, মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সজিব মিয়া, মনোহরদী থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিনুল ইসলাম, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন ও মনোহরদী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজন বর্মণ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি বিশ্বজিৎ সাহা, সহসভাপতি কাজী আনোয়ার কামাল, সদস্য শ্যামল মিত্র, মনোহরদী পৌর বিএনপির আহবায়ক বদরুল ইসলাম মোল্লা বাবুল, সদস্য সচিব মো. হান্নান মিয়া, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান সোহাগ, মনোহরদী প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন, মুহা. ইসমাইল হোসাইন খানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসন, রাজনীতিবীদ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
পরে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয়।