
তানভীর আহমেদ : নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাবো) সংসদীয় আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী মোট ১৬২টি কেন্দ্রের ফলাফলে ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট।
বিজয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই মনোহরদী ও বেলাবো জুড়ে আনন্দের বন্যা বইছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিজয় মিছিল, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মামুন বলেন, ‘আমরা চার বারের সংসদ সদস্য সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে আবারও নির্বাচিত করেছি। তিনি বিগত সময়ে এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমরা তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’
মনোহরদী বাজারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বকুল সাহেব সব সময় ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পরিবেশে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। শিক্ষা, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে তার অবদান দৃশ্যমান। তাকে মন্ত্রী করা হলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আমরা আশা করি।’
উপজেলার এক তরুণ ভোটার সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম তার ওপর আস্থা রেখেছে। তিনি আমাদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন বলে বিশ্বাস করি। মনোহরদী-বেলাবোকে একটি আধুনিক শিক্ষানগরী হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবেন।’
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয় প্রমাণ করে যে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রয়েছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন তার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিজয়ের প্রতিক্রিয়ায় সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ‘এই বিজয় মনোহরদী-বেলাববাসীর। আমি সবসময় মানুষের পাশে ছিলাম, আগামীতেও থাকব। আমার লক্ষ্য হবে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি আধুনিক শিক্ষা নগরী গড়ে তোলা এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।’
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা- তাদের প্রিয় নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়ে নরসিংদী-৪ আসনের উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।