• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত মনোহরদীতে শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে জনতার হাতে আটক মনোহরদীতে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা মনোহরদীতে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ

শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হত্যা: দুবাই থেকে আনা মহসিন মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

Reporter Name / ২৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

[ad_1]

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মহসিন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ২১ জুলাই (রোববার) নরসিংদীর আদালতে তোলা হলে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন তিনি।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার জানান, ২০২৩ সালের ২৩ জুন থেকে চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তদন্ত শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই প্রধান অভিযুক্তদের একজন মহসিন মিয়া দেশ ছেড়ে দুবাই পালিয়ে যায়।

পরে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় রেড অ্যালার্ট জারি হলে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সংক্রান্ত বার্তা পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশের একটি দল গত ২০ জুলাই (শনিবার) মহসিন মিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনে। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মহসিন মিয়ার বাড়ি শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দনগর এলাকায়।

এর আগে ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শিবপুরের নিজ বাসায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ খান। অভিযুক্ত মহসিন মিয়া এবং আরও দুইজন মিলে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে টানা ৯৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৩১ মে মারা যান তিনি।

এই ঘটনায় নিহত চেয়ারম্যানের পরিবার শিবপুর থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তভার পরে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts