• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
স্ক্রিনশট ফাঁস করে একঝাঁক নায়িকার নাম কেন প্রকাশ্যে আনলেন জয় যারা জনগণের ভোটের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তাদের পরিণতি ভালো হয়নি সাংবাদিকরা পজেটিভ লিখলে ভালো কাজে জাতি উৎসাহিত হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে সাহস ও সমর্থনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়ে নারী দিবস উপলক্ষে মানব কল্যাণ পরিষদের শোভাযাত্রা তিন কারণে ‘অপরাধী’ বর্তমান রাষ্ট্রপতি: জামায়াত আমির নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল মনোহরদীতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার কার্য উপদেষ্টাসহ পাঁচ সংসদীয় কমিটি গঠন নরসিংদী জেলা রিপোটার্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গা সহায়তায় যুক্তরাজ্য–কাতারের ১১.২ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ – IPCSBDPress

Reporter Name / ১৮৪ Time View
Update : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন


আপডেটঃ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের সহায়তাকারী স্থানীয় জনগণের মানবিক সেবা ও পরিবেশ সুরক্ষায় বড় ধরনের সহায়তা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য ও কাতার। দুই দেশ যৌথভাবে ১১ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে, যা এই সংকট মোকাবিলায় নতুন গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, কাতারের সঙ্গে অংশীদারত্বে এই সহায়তা ঘোষণা করতে পেরে যুক্তরাজ্য সন্তুষ্ট। কক্সবাজারে বসবাসকারী ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয়দের জন্য মানবিক কর্মসূচি শক্তিশালী করাই এই তহবিলের উদ্দেশ্য। রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী হয়ে ওঠায় এ সহায়তা স্থানীয় পরিবেশ ও জীবনযাপনের ওপর চাপ কমাতেও নির্দেশিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নতুন এই তহবিলের অর্থ দিয়ে বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন এবং ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় পরিবেশগত ক্ষয় রোধে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ করা হবে। এতে মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দুই দেশ এক যৌথ মন্তব্যে জানায়, নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য তারা একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলপিজি ব্যবহারে উৎসাহ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বন উজাড়ের প্রবণতাও কমবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। কয়েক বছর ধরে জ্বালানি কাঠের অত্যধিক চাহিদা কক্সবাজারের আশপাশের বনে ব্যাপক ক্ষতি ডেকে এনেছে, যা এখনো উদ্বেগের কারণ।

২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক আগমনের পর থেকে কক্সবাজার বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর এক আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই পরিস্থিতি চলমান থাকায় আন্তর্জাতিক সহায়তার গুরুত্ব দিন দিন আরও বাড়ছে।

IPCS News : Dhaka :


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts