• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনা সরকার পুরো বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে

Reporter Name / ১৪০ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন

[ad_1]

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনা সরকার পুরো বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে। এখানে কোনো কাজই হয়নি। সেই জায়গা থেকে বিএনপির অবশ্যই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের এক্সপেরিয়েন্স আছে। দুইবার আমরা সাকসেসফুলি করতে পেরেছিলাম। কিন্তু এখনকার চেয়ে বিগত দিনের পার্থক্য হচ্ছে যে, এখন অনেক বেশি কমপ্লিকেটেড। সোমবার (২৩ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের ওখানে বর্ডারে অত্যন্ত ভোলাটাইল, ভালনারেবল অবস্থায় আছে বর্ডার। ওইটাকে মাথায় রেখে আমাদের রোহিঙ্গার সমস্যার সমাধান বা ওদের রিপ্যাট্রিয়েশনে কাজ করতে হবে। সেটার জন্য আমাদের ধারণা— এটা মোর অফ অ্যা পলিটিক্যাল ইস্যু, তারপর ডিপ্লোম্যাটিক ইস্যু। আমাদের দুইভাবেই মায়ানমার সরকার আর আরাকান আর্মির সঙ্গে কাজ চালাতে হবে, যাতে এখানে একটা একটা স্থায়ী সমাধান আসে। কারণ আমরা রিপ্যাট্রিয়েশন করতে চাই কিন্তু রিপ্যাট্রিয়েট হয়ে তারা কোথায় যাবে, তাদের একটা সেফ জায়গা লাগবে। তাদের নিজেদের দেশে ফেরত যাওয়ার জন্য তো সেই জায়গাটা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাজ করে যাচ্ছি, কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছি। তাদের সঙ্গে কাজ চলছে। মায়ানমারে মাত্র একটা নতুন সরকার এসেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা শুরু হয়েছে। আরাকান আর্মির সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে বিভিন্ন লেভেলে। বাংলাদেশ সরকারের একার পক্ষে এটা সম্ভব না, যেটা আওয়ামী লীগ সরকার চেষ্টা করেছিল দ্বিপাক্ষিকভাবে তাদের সঙ্গে। কিন্তু এটা তারা ফেইল করেছে। আমাদের আসিয়ান দেশগুলো চীন, ইন্ডিয়া, মুসলিম দেশগুলো, ওয়েস্টার্ন দেশগুলো সবারই একটা স্ট্রং সহযোগিতা এখানে লাগবে। কারণ রোহিঙ্গার ক্রাইসিসটা বিশ্বের একটি অন্যতম বড় ইস্যু।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি যেটা হয়েছে, সেটা আমাদের অর্থনীতিকে ডিরেক্টলি ইফেক্ট করে। মানে আমাদের বিশাল একটি তৈরি পোশাক খাত আছে, যেটা আমরা বাইরে রফতানি করি। এখন আমেরিকা চাচ্ছে যে, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে, আমদানি ঘাটও কমাতে চায়, অনেক কিছু চাচ্ছে। সেটাতে আমরা রাজি হয়েছি। কিন্তু অবশ্যই এটা বাস্তবায়নে যেতে পারবো, কিন্তু এটা যাতে আমাদের দেশের অর্থনীতি সুরক্ষিত থাকে। তিনি বলেন, আমাদের প্রাইভেট সেক্টরের সুরক্ষিত থাকে। দেশের জনগণের ক্ষতি না হয়, সেভাবে আমাদের তাদের সঙ্গে কথাবার্তা আমরা বলছি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথাবার্তা হচ্ছে তো। এখন ওনারা তো একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, একটা চুক্তি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত আমাদের একটা না অনেক চুক্তি আছে। তো সব চুক্তি নিয়ে আলাপ আলোচনা হবে। আমি আবারও বলছি, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করে আমরা চুক্তিগুলোতে যাবো। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের আরও অনেক চুক্তি, কিন্তু আরও অনেক জায়গায় অনেক সেক্টরে আছে, তো সব চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। সবটা আমাদের বাস্তবায়নযোগ্য, যেটা আমাদের আমাদের অর্থনীতিকে সাহায্য করবে, সেই চুক্তিগুলো নিয়ে আমরা আগাবো। কারণ সব দেশের সঙ্গেই আমাদের কাজ করতে হবে। কারণ বাংলাদেশ একটা এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড দেশ। আমাদের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। সুতরাং এগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। আলোচনার ভিত্তিতে সবকিছু হবে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত বাই দিস টাইম শুড রিয়েলাইজ দ্যাট, ওই যে একপাক্ষিক তাদের পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের ব্যাপারে ছিল, হ্যাঁ ভারতের সঙ্গে গত ১৭ বছর বাংলাদেশের পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি ছিল না। তাদের ফরেন পলিসিটাই ছিল ভিন্ন বিগত দিনে। আমার মনে হয়, ভারত ওই জায়গাটা থেকে সরে এসেছে এবং ভারত বুঝতে পারছে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক রাখতে হলে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রাখতে হবে। সব শ্রেণি-পেশা মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রাখতে হবে। সেই জায়গাটা মনে হয়, ভারত কাজ করছে আমি যেটা বুঝতে পারি। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সবার আগে বাংলাদেশ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করছি এবং ভারতের সাথে সেটা ব্যত্যয় হবে না। বাংলাদেশ প্রথম নীতিতেই ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকবে এবং যেহেতু আমরাও তাদেরকে ঘিরে রেখেছি, তারাও আমাদেরকে ঘিরে রেখেছে তিন দিকে, আমাদের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী, তাদের সাথে আমাদের ইস্যু আছে, বর্ডার ইস্যু আছে, পানি নিয়ে ইস্যু আছে, বিভিন্ন ইস্যু আছে, ট্রেড ডেফিসিট আছে। এইসব সমস্যার যদি আমাদের সমাধান করতে হয়— অবশ্যই কথাবার্তার মাধ্যমে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে আমাদের করতে হবে। তো সেই জায়গাটা থেকে অবশ্যই আমরা কাজ করবো, আমাদের স্বার্থ আমাদের সম্মান আমাদের সমতার ভিত্তিতে সে সবকিছু হবে।

সার্ক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্ক ছিল শহীদ জিয়ার একটা স্বপ্ন একটা ভিশন। সার্ক যদি সচল থাকতো এত বছর, এই রিজিওনে সাউথ এশিয়ান রিজিয়নে দেশগুলো সার্কভুক্ত দেশগুলো এবং দেশের মানুষ, অর্থনীতি সবকিছু আরও শক্তিশালী জায়গায় যেতে পারতো। তো সেই সার্ক অবশ্যই আমরা পুনুরুজ্জিবিত করতে চাই। আমাদের ম্যানিফেস্টোতে পরিষ্কারভাবে এটা লেখা আছে। সাউথ এশিয়ান দেশগুলোতে আমরা কানেক্টিভিটির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের ভিতরকার ট্রেড, কমার্স, কালচার, স্পোর্টস সব দিক দিয়ে আমাদের কানেক্টিভিটিটা আমরা বাড়াতে চাই। সার্কেরএকটা ফাংশনাল বডি আমরা পরিণত করতে চাই। যেই স্বপ্নটা শহীদ জিয়াউর রহমান করে দেখিয়েছিলেন। সেই জায়গাটা অবশ্যই আমরা কাজ করবো।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category