
স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ। তবে গ্রাহকের অজান্তেই ডিভাইসটি আপনার অবস্থান, কথোপকথন, সার্চ হিস্ট্রি এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করতে পারে। আর সেই ডেটার ওপর ভিত্তি করেই দেখানো হয় টার্গেটেড বিজ্ঞাপন, সাজেস্টেড রিলস বা ভিডিও। ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মুখে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন কিছু সেটিংস রয়েছে, যা বন্ধ রাখলে গুগল কিংবা ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কম সংগ্রহ করতে পারবে।
মোবাইলের এমন তিন গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস হলো :
গুগল অনেক সময় আপনার ভয়েস ও অডিও ডেটা রেকর্ড করে রাখে, যাতে আপনার ব্যবহার অনুযায়ী সার্ভিস সাজিয়ে দেখানো যায়। এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় সরাসরি প্রভাব ফেলে।
গুগল অ্যাপ খুলুন, ওপরে প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ করুন, ‘Data & Privacy’ অপশনে যান, Voice & Audio Activity অপশনটি বন্ধ করুন। এতে আপনার ভয়েস-সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য আর গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ হবে না।
গুগল আপনার সার্চ হিস্ট্রি, ব্রাউজিং প্যাটার্ন ও অ্যাপ ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেখায়। এটি বন্ধ করলে আপনার ডেটা নিরাপদ থাকে।
গুগল অ্যাপ খুলে My Ad Center-এ যান, Personalized Ads-এর টগল অফ করুন, এতে টার্গেটেড বিজ্ঞাপন বন্ধ হবে এবং আপনার সার্চ হিস্ট্রি আরও নিরাপদ থাকবে।
লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধা যেমন কাজে লাগে, তেমনি এটি আপনার চলাচলের প্রতিটি তথ্য গুগলের কাছে পৌঁছে দেয়। আপনি কোথায় গেলেন, কতক্ষণ ছিলেন, কোন রেস্টুরেন্ট বা শপিং মল ভিজিট করলেন ইত্যাদি।
বন্ধ করতে যা করবেন:
গুগল ম্যাপস অ্যাপ খুলুন, ওপরে প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ করুন, ‘Your Data in Maps’ অপশনে যান, Location History অপশনটি বন্ধ করে দিন। লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করলে গুগল আর আপনার চলাচলের টাইমলাইন রেকর্ড করবে না। ফলে গোপনীয়তা কিছুটা রক্ষা পাবে।
ব্যক্তিগত কথোপকথন ও অভ্যাস ট্র্যাক হওয়া কমবে, সার্চ ও ব্রাউজিং ডেটা নিরাপদ থাকবে, অনাকাঙ্ক্ষিত টার্গেটেড বিজ্ঞাপন কমে যাবে, ডিজিটাল প্রাইভেসি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন