• শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত মনোহরদীতে শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে জনতার হাতে আটক মনোহরদীতে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা মনোহরদীতে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ

বন্দরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত তরুণ মো. জোবায়ের (১৮) চার দিন পর  মৃত্যু বরণ করেছেন।


‎রোববার (৭ জুন) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে  অপরাধীদের ধরতে পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

‎নিহত জোবায়ের পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি বর্তমানে বন্দরের এনায়েতনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। 

জানা গেছে, গত ৩ জুন (বুধবার) রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে এনায়েতনগর ভাঙা ব্রিজের উত্তর পাশের ঢালে তিন ছিনতাইকারী তাঁর পথরোধ করে। জোবায়ের বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাঁকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাঁর সাথে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় জোবায়েরকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

‎এদিকে জোবায়েরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বন্দর থানা পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম এনায়েতনগর, শাহীমসজিদ ও খালপাড়সহ আশপাশের এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। 

বন্দর থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) ও সেকেন্ড অফিসার মনির হোসেন জানান, “ঘটনার পর থেকেই আমরা জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অপরাধী যে-ই হোক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার ও দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts