• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গ্লোবাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধার বর্ণিল উৎসব, বৃত্তি ও সংবর্ধনায় কৃতীদের সম্মাননা এল কে ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা, সভাপতিকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ইউএনওর মনোহরদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সেরা খামারিদের পুরস্কার বিতরণ আপনার হোস্টিং সাইট কেন স্লো? সমাধান ও পরামর্শ Web Hosting কী? কেন ভালো Hosting আপনার ওয়েবসাইটের সফলতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? আপনার হোস্টিং সাইট কেন স্লো? সমাধান ও পরামর্শ

পদত্যাগ করলেন আলোচিত সেই শিক্ষিকা

Reporter Name / ৩৬৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

ক্লাসরুমে কনের সাজে দাঁড়িয়ে থাকা বিভাগীয় প্রধানের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক ছাত্র। আর তার সাক্ষী ছিলেন ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীরা। পরে ওই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে শোরগোল পড়ে যায় সবখানে।

এরপরেই অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি বিভাগের প্রধান পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছুটিতে পাঠিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এবার সেই সেই পদ থেকে সরে যাওয়ার কথা জানালেন আলোচিত এই অধ্যাপিকা। ই-মেইলের সাহায্যে কর্তৃপক্ষের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

যদিও পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ভিডিওতে যা দেখা গেছে, তা শিক্ষার্থীদের একটি নাটকের অংশ ছিল মাত্র।

তবে তার এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরেই বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। সেই কমিটি তদন্ত শেষে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছে কর্তৃপক্ষের কাছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি সঠিক নয়। এই ঘটনার সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের নাটকের কোনো সম্পর্ক নেই।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. পার্থপ্রতিম লাহিড়ী জানিয়েছেন, তদন্তের রিপোর্ট আমি দেখিনি। তদন্ত কমিটি সেই রিপোর্টটি ভাইস চ্যান্সেলরকে দিয়েছে। অধ্যাপিকা গত ১ ফেব্রুয়ারি ই-মেইল করে পদত্যাগের কথা বলেছেন। তবে তিনি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ীভাবে ছিলেন না। আর যে ছাত্রের সঙ্গে এই ঘটনাটি ঘটেছে, তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কথা বলেছে। তার অভিভাবকরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কথা বলেছেন। আমরা তার টেককেয়ার করেছি। সে বর্তমানে পরীক্ষা দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা যা জানতে পেরেছি, ঘটনাটি অবশ্যই ঘটেছে এবং শিক্ষিকা বলেছেন ‘সাইকো ড্রামা’। কিন্তু তদন্ত কমিটি যা দেখেছে তাতে ওনার এই যুক্তি ঠিক নয় বলে মনে করছে।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category